দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা

- আপডেট সময় : ০৮:২৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সামনে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ঢাকা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ, ভারত একজন ‘দণ্ডিত গণহত্যাকারীকে’ রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চ করে দিয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বুধবার রাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ‘বিষোদ্গার’ করেছেন। ভারতের মাটিতে হাসিনার এ ধরনের বক্তব্যকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা হিসেবে অভিহিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ঢাকা হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন হাসিনা। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন। ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ৭৮ বছর বয়সী হাসিনা অডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হন।
বক্তব্যের সময় হাসিনা নিজের বিরুদ্ধে চলমান মামলা, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার এবং তার সমর্থকদের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য যে পরিণতিই অপেক্ষা করুক না কেন, আমি আমার জনগণের কাছে ফিরে যাব।’ দেশে ফিরলে তাকে কারাগারে পাঠানো বা হত্যার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশে ফেরার বিষয়ে অনড়। হাসিনা আরও বলেন, ‘তারা আমাকে কারাগারে রাখতে পারে। তারা আমাকে হত্যা করতে পারে। যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরও আমাকে যেতে হবে।’ তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার হিসাব-নিকাশের অনেক ঊর্ধ্বে তার জীবন চলে গেছে।
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ১০আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ১৩


























