ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাগুরার নড়িহাটি গ্রামে মেসি ভক্তদের রঙে সাজল ‘আর্জেন্টিনা সেতু’ ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি ৫ হাজার পার ১৮ জুলাই: শাটডাউনে অচল দেশ, সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৩১ ঘুম না আসায় মোবাইল খেলতে গিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা জিতলেন নারী কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোচনায় পাকিস্তান, কেমন দেশটির সামরিক শক্তি শোক কাটিয়ে নতুন দিনের আশায় শহীদ ওয়াসিমের পরিবার বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রেফারির ভূমিকা নিয়ে সতর্ক স্পেনের কোচ বাংলাদেশি পরিচয়ে ভারতীয় নারীকে পুশ-ইনের অভিযোগ, বেনাপোলে আতঙ্ক কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে বন্দি পালানোয় ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত আরপিএমপি হাজীরহাট থানার অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার-৩

ফুটবল বিশ্বের অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজা লিওনেল মেসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সাত ম্যাচে আট গোল এবং চার অ্যাসিস্টের জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলে লিওনেল মেসি এখন বিশ্বের অন্যতম সুখী মানুষ। রোজারিওর সেই ছেলেটি, যার শৈশব কেটেছিল হরমোনজনিত রোগের লড়াইয়ে, তিনি আজ ৪০ ছুঁইছুঁই বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের ফুটবলীয় ঐশ্বর্যের নতুন গল্প লিখছেন। বয়সের ভারে হয়তো গতি কমেছে, কিন্তু তার ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিভা তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মেসি নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন মাঠের কোচ হিসেবে। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় যখন সবাই আর্জেন্টিনার বিদায় দেখছিল, তখনই মেসি তার বাঁশি হাতে তুলে নিলেন। ৮৫ ও ৯২ মিনিটে তার দুটি জাদুকরী অ্যাসিস্টে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাওতারো মার্তিনেজ গোল করে ইংল্যান্ডকে স্তব্ধ করে দেন। টেমস নদীর ঢেউয়েরও আফসোস—‘ইটস নট কামিং হোম’। সেই ১৯৬৬ থেকে অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ডের খরা ঘুচবে না, সাহেবদের সেই দুঃসময় আরও দীর্ঘায়িত করলেন ম্যাজিশিয়ান মেসি। ম্যাচে ৯০ মিনিট খেলে ৯৪টি টাচ, নয়টি সফল ড্রিবল এবং চারটি সুযোগ তৈরি করে মেসি প্রমাণ করেছেন কেন তিনি এই খেলার রাজা।

এই বিশ্বকাপে মেসি এখন পর্যন্ত মোট ১২টি অ্যাসিস্টের মালিক, যা দিয়েগো ম্যারাডোনার আটটি অ্যাসিস্টের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্টসহ ৩৩টি শট নিয়েছেন তিনি এবং ২১টি গোল করার সুযোগ তৈরি করেছেন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ম্যারাডোনার চেয়েও তার প্রভাব এখন বেশি স্পষ্ট। মেসির এই জয় মূলত ম্যারাডোনা এবং তার দাদির প্রতি উৎসর্গ করা, যিনি শৈশবে তাকে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন।

পাবলো আইমারের সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘শেষ মেসিই সবসময় সেরা মেসি’, তা যেন এই বিশ্বকাপে এসে সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ মেসির বর্ণিল ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিয়েছে, তার হাতে সোনালি ট্রফি তুলে দিয়ে। ২০২৬ যদি আবারও তার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেয়, তবে তা হবে এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস। নিউইয়র্ক-নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রবিবাসরীয় ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকা মেসি এখন সত্যিই ফুটবল বিশ্বের রাজা। তার পায়ে বল থাকলেই পৃথিবী যেন থমকে যায়, আর দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন পরবর্তী জাদুকরী মুহূর্তের জন্য।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুটবল বিশ্বের অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজা লিওনেল মেসি

আপডেট সময় : ১০:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
print news

সাত ম্যাচে আট গোল এবং চার অ্যাসিস্টের জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলে লিওনেল মেসি এখন বিশ্বের অন্যতম সুখী মানুষ। রোজারিওর সেই ছেলেটি, যার শৈশব কেটেছিল হরমোনজনিত রোগের লড়াইয়ে, তিনি আজ ৪০ ছুঁইছুঁই বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের ফুটবলীয় ঐশ্বর্যের নতুন গল্প লিখছেন। বয়সের ভারে হয়তো গতি কমেছে, কিন্তু তার ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিভা তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মেসি নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন মাঠের কোচ হিসেবে। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় যখন সবাই আর্জেন্টিনার বিদায় দেখছিল, তখনই মেসি তার বাঁশি হাতে তুলে নিলেন। ৮৫ ও ৯২ মিনিটে তার দুটি জাদুকরী অ্যাসিস্টে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাওতারো মার্তিনেজ গোল করে ইংল্যান্ডকে স্তব্ধ করে দেন। টেমস নদীর ঢেউয়েরও আফসোস—‘ইটস নট কামিং হোম’। সেই ১৯৬৬ থেকে অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ডের খরা ঘুচবে না, সাহেবদের সেই দুঃসময় আরও দীর্ঘায়িত করলেন ম্যাজিশিয়ান মেসি। ম্যাচে ৯০ মিনিট খেলে ৯৪টি টাচ, নয়টি সফল ড্রিবল এবং চারটি সুযোগ তৈরি করে মেসি প্রমাণ করেছেন কেন তিনি এই খেলার রাজা।

এই বিশ্বকাপে মেসি এখন পর্যন্ত মোট ১২টি অ্যাসিস্টের মালিক, যা দিয়েগো ম্যারাডোনার আটটি অ্যাসিস্টের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্টসহ ৩৩টি শট নিয়েছেন তিনি এবং ২১টি গোল করার সুযোগ তৈরি করেছেন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ম্যারাডোনার চেয়েও তার প্রভাব এখন বেশি স্পষ্ট। মেসির এই জয় মূলত ম্যারাডোনা এবং তার দাদির প্রতি উৎসর্গ করা, যিনি শৈশবে তাকে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন।

পাবলো আইমারের সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘শেষ মেসিই সবসময় সেরা মেসি’, তা যেন এই বিশ্বকাপে এসে সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ মেসির বর্ণিল ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিয়েছে, তার হাতে সোনালি ট্রফি তুলে দিয়ে। ২০২৬ যদি আবারও তার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেয়, তবে তা হবে এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস। নিউইয়র্ক-নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রবিবাসরীয় ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকা মেসি এখন সত্যিই ফুটবল বিশ্বের রাজা। তার পায়ে বল থাকলেই পৃথিবী যেন থমকে যায়, আর দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন পরবর্তী জাদুকরী মুহূর্তের জন্য।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor