কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোচনায় পাকিস্তান, কেমন দেশটির সামরিক শক্তি

- আপডেট সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের সঙ্গে গত বছর প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের ধারাবাহিকতায় এবার কুয়েতের সঙ্গে একটি সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে পাকিস্তান। এই আলোচনা সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সহায়তা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হতে পারে। শুধু কুয়েত নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ায় সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তানের অবস্থান চতুর্থ। দেশটির মোট সক্রিয় সামরিক সদস্য প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার। এর মধ্যে সেনাবাহিনীতে ৫ লাখ ৬০ হাজার, বিমানবাহিনীতে ৭০ হাজার এবং নৌবাহিনীতে ৩০ হাজার সদস্য রয়েছেন। নৌবাহিনীর এই সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন মেরিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাকিস্তানের স্থলবাহিনীর সক্ষমতা বেশ বিশাল, যার বহরে ৪ হাজার ৬০০টির বেশি কামান ও ২ হাজার ৫৭০টির বেশি ট্যাংক রয়েছে। আকাশপথে শক্তি বাড়াতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে ৪২০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এফ–১৬, চীনের জে–১০সি এবং চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান অন্যতম। অন্যদিকে, নৌবাহিনীর বহরে বর্তমানে আটটি সাবমেরিন ও ১২টি ফ্রিগেট বা যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।
পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও বেশ শক্তিশালী। দেশটির কাছে ভূমি থেকে ভূমিতে এবং আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি শক্তিশালী ভান্ডার রয়েছে। এ ছাড়া ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতাও তাদের আছে। সব মিলিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।




























