আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ নিয়ে বিতর্কের জবাব দিলেন ফিফার কলিনা
- আপডেট সময় : ০৩:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক থামছে না। শেষ ষোলোর সেই ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান এবং স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকো। তাদের অভিযোগ, ম্যাচ পরিচালনায় আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পেয়েছে এবং পুরো বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত ছিল। তবে মিসর শিবিরের এমন অভিযোগকে মোটেও আমলে নিচ্ছে না বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়ারলুইজি কলিনা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, রেফারিং নিয়ে ওঠা এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এ নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। ইনসাইড ফিফা ডট কমে দেওয়া একটি পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারে কলিনা ম্যাচের প্রতিটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, রেফারি কোনো ভুল করেননি।
মিসরের প্রধান আপত্তির জায়গা ছিল দুটি। প্রথমত, ৫৮ মিনিটে জিকোর গোল বাতিল করা। পাল্টা আক্রমণে গোলটি হলেও, ভিএআর দেখে রেফারি তার প্রায় ৮৫ মিটার আগের একটি ফাউল শনাক্ত করেন, যেখানে মিসরের এক ফুটবলার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন। দ্বিতীয়ত, নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে স্টপেজ টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহামেদ সালাহ আর্জেন্টিনার ডি বক্সে পড়ে গেলেও রেফারি কোনো ফাউল ডাকেননি, যা নিয়ে মিসর অসন্তোষ প্রকাশ করে।
এই সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাখ্যায় কলিনা বলেন, গোল হওয়ার পর ভিএআর আক্রমণাত্মক বল দখলের পর্যায় যাচাই করে। যদি গোল হওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে এমন কোনো ফাউল শনাক্ত হয়, তবেই রেফারিকে পুনরায় সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। কিন্তু যদি ডিফেন্ডার আগে বল স্পর্শ করে এবং এরপর স্বাভাবিক ফুটবলীয় কন্টাক্ট হয়, তবে তা ফাউল বলে গণ্য হয় না। তিনি আরও জানান, ম্যাচের শেষ দিকে মোহামেদ সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যকার ঘটনাটিকে রেফারি ও ভিএআর স্বাভাবিক ফুটবলীয় স্পর্শ হিসেবেই বিবেচনা করেছেন।
বিশ্বকাপের গ্রুপ ও নকআউট পর্ব মিলিয়ে ২৮ দিনের টানা লড়াই শেষে এবার শুরু হচ্ছে শেষ আটের মহারণ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে মাঠে গড়াচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। কিন্তু টুর্নামেন্ট এখন নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করলেও থামছে না আর্জেন্টিনা–মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক।
‘এই একই ম্যাচের শেষ দিকে এর একটি উদাহরণ দেখা গিয়েছিল। রেফারি এবং ভিএআর মিশরের ১০ নম্বর জার্সিধারী মোহামেদ সালাহ এবং আর্জেন্টিনার ৯ নম্বর জার্সিধারী হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যকার ঘটনাটিকে স্বাভাবিক ফুটবলীয় স্পর্শ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।’

























