ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণআকাঙ্ক্ষা পূরণে গণমাধ্যমের কাঠামোগত রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী কাপ্তাই প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি, সভাপতি কবির সম্পাদক ঝুলন সরকারি দপ্তরে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর সরকারি নথিতে প্রথমবারের মতো নবম পে স্কেলের বিস্তারিত তথ্য ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সুনামগঞ্জের ৮ যুবক, পরিবারে চলছে শোকের মাতম উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি মধুখালীতে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বৃদ্ধের ৫ বছরের কারাদণ্ড ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি মিয়ানমারের নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করলো এয়ারটেল, নাম পরিবর্তন ‘সার্কেল’ কাঠমান্ডুতে যান্ত্রিক ত্রুটিতে আটকা, বিকল্প বিমানে ফিরলেন ১২৭ যাত্রী

বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আলুচাষিরা

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২০২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর 

বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের আলুচাষিরা।

পরিপক্ব হওয়ায় শ্রমিক লাগিয়ে ক্ষেতের আলু উত্তোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। উৎপাদিত আলু বস্তায় ভরে কেউ কেউ বিক্রি করলেও অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন হিমাগার ও বাড়িতে।

গত বছরের লোকসান পোষাতে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ করেছেন কুড়িগ্রামের কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়ায় উৎপাদন ভালো হলেও শুরুতেই বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় হতাশ তারা।

রাজারহাট উপজেলার টগরাইহাট এলাকার আলুচাষি সাইফুল ইসলাম জানান, গত বছর আলুতে লস হয়েছে। ভেবেছিলাম এবার ভালো দাম পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এবারও একই অবস্থা। শেষ পর্যন্ত ভালো দাম পাওয়া না গেলে আগামীতে আলু আবাদ করবো না।

সদরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক সবুজ মিয়া জানায়, বাজারে বর্তমানে আলুর কেজি ৯ থেকে ১০ টাকা। আর প্রতিকেজি আলু উৎপাদনে ব্যয় হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ টাকা। সরকারিভাবে বিদেশে আলু রফতানির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে আলুর আবাদ কমে আসবে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান জানান, এ বছর জেলায় আলুর উৎপাদন ভালো হওয়ায় দাম কমেছে।  উৎপাদিত আলুর ভালো বাজার মূল্য পেতে হিমাগারের পাশাপাশি দেশীয় পদ্ধতিতে ৩ থেকে ৪ মাস সংরক্ষণ করতে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আলুচাষিরা

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর 

বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের আলুচাষিরা।

পরিপক্ব হওয়ায় শ্রমিক লাগিয়ে ক্ষেতের আলু উত্তোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। উৎপাদিত আলু বস্তায় ভরে কেউ কেউ বিক্রি করলেও অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন হিমাগার ও বাড়িতে।

গত বছরের লোকসান পোষাতে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ করেছেন কুড়িগ্রামের কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়ায় উৎপাদন ভালো হলেও শুরুতেই বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় হতাশ তারা।

রাজারহাট উপজেলার টগরাইহাট এলাকার আলুচাষি সাইফুল ইসলাম জানান, গত বছর আলুতে লস হয়েছে। ভেবেছিলাম এবার ভালো দাম পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এবারও একই অবস্থা। শেষ পর্যন্ত ভালো দাম পাওয়া না গেলে আগামীতে আলু আবাদ করবো না।

সদরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক সবুজ মিয়া জানায়, বাজারে বর্তমানে আলুর কেজি ৯ থেকে ১০ টাকা। আর প্রতিকেজি আলু উৎপাদনে ব্যয় হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ টাকা। সরকারিভাবে বিদেশে আলু রফতানির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে আলুর আবাদ কমে আসবে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান জানান, এ বছর জেলায় আলুর উৎপাদন ভালো হওয়ায় দাম কমেছে।  উৎপাদিত আলুর ভালো বাজার মূল্য পেতে হিমাগারের পাশাপাশি দেশীয় পদ্ধতিতে ৩ থেকে ৪ মাস সংরক্ষণ করতে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।