ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় শান্তি ফেরাতে হামাস নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতা কুশনারের বৈঠক যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সামরিক রদবদল ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইরান অরুণাচল সীমান্তে চীনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ নিয়ে নতুন বিতর্ক দারাজের মাধ্যমে মাদক বিক্রি: বাড্ডায় কেমিস্ট গ্রেপ্তার, আসামি এমডিও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সমীকরণ নিয়ে ভাবছেন না শাহরিয়ার নাফীস বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির যাত্রা শুরু শিক্ষক শুধু চাকরিজীবী নন, মানুষ গড়ার কারিগরও বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ক্যানিজিয়া পাবনায় কাফনের কাপড় জড়িয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া সাবেক ছাত্রদল নেতার নোয়াখালীতে পচা ডিম দিয়ে কেক তৈরি, বেকারিকে জরিমানা

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৬০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।