ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জিম্বাবুয়ের আম্পায়ার সারাহ বিএনপিকেও শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স নিয়ে শঙ্কা নোয়াখালীতে খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ভাইরাল তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নন-কটন পণ্যের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ কারাবাস ও বিরতি কাটিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন অভিনেতা জাহের আলভী পটিয়ায় দুই ইউনিয়নের রশি টানাটানিতে ৩০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ আটঘরিয়ায় দেড় লাখ তালের বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসায় হামলার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ ইস্তাম্বুলে ইয়ামালের ম্যাজিকে গ্যালাতাসারাইকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।