ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে নীরব নায়িকা পূজা চেরী সড়ক ও বাঁধ রক্ষায় বিন্নি ঘাস ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কমিটি জ্বালানি সংকট নিরসনে ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জামায়াতের শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলী জারি দুই স্ত্রীর হাতাহাতির ঘটনায় জ্ঞান হারালেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান মেলান্দহে ইয়াবাসহ কৃষকদল নেতা আটক, দল থেকে বহিষ্কারের পর কারাগারে সোনালের শতকে লঙ্কানদের ২৮৪, ১৭৮ রানের লিডে ভারত ব্যবসায়ীকে বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে আলোচনায় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি সাতক্ষীরার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শ্যামনগরের সাফিউল ইসলাম ছাতকে ফিশারি থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।