ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনৈতিক চাপে ‘ভূমিকম্পের মতো’ পাল্টা আঘাতের হুমকি ইরানের ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জামায়াত ১৬ বছর আ.লীগের ভেতরে লুকিয়ে ছিল: রাশেদ খাঁন নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারি ইরানি জেনারেলের মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা: চীন-ভারতের নতুন ভূরাজনৈতিক রণক্ষেত্র সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলি, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ভারতীয় আটক প্রযুক্তির যুগে দাওয়াহর সম্ভাবনা ও দাঈদের নিয়ত রক্ষার চ্যালেঞ্জ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়: চট্টগ্রামে চরম উৎকণ্ঠায় নেপালি শিক্ষার্থীরা

নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে টানা বৃষ্টিতে ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি বিপাকে কৃষকরা

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মকবুলার রহমান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

‎বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সঙ্গে নেমে এসেছে হালকা শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ এই বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের আমন ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জমির ধানগাছ ভারি হয়ে নুইয়ে পড়েছে, আবার অনেক ক্ষেতেই গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

নীলফামারীর ডোমার, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা গেছে, পাকা ধান কাটার আগেই গাছ নুয়ে পড়েছে। অনেকে আগাম ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধানের মান ও ফলন—দুটোই কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

‎একই অবস্থা পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারীতেও। স্থানীয় কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী লাভলু জানান, ধান পাকার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন জমি কাদা হয়ে গেছে, অনেক জমিতে ধানগাছ মাটিতে পড়ে আছে, উঠানোরও উপায় নেই।

ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত পাড়ার কৃষক শফিউল ইসলাম ও তার ভাই রবিউল ইসলাম বলেন টানা বৃষ্টিতে আমাদেরও ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে,এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না। এদিকে বৃষ্টির কারণে যেসব জমিতে পানি জমে গেছে, জমির আইল কেটে সেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কৃষকের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসে গ্রামীণ এলাকায় বেড়েছে শীতের অনুভূতি। সকালে ও রাতে জনজীবনে পড়েছে তার প্রভাব।

‎মৌসুমের এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি যেমন কৃষকদের ধান কাটার পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে, তেমনি শীতের আগমনী বার্তাও এনে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে টানা বৃষ্টিতে ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি বিপাকে কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ মকবুলার রহমান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

‎বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সঙ্গে নেমে এসেছে হালকা শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ এই বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের আমন ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জমির ধানগাছ ভারি হয়ে নুইয়ে পড়েছে, আবার অনেক ক্ষেতেই গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

নীলফামারীর ডোমার, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা গেছে, পাকা ধান কাটার আগেই গাছ নুয়ে পড়েছে। অনেকে আগাম ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধানের মান ও ফলন—দুটোই কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

‎একই অবস্থা পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারীতেও। স্থানীয় কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী লাভলু জানান, ধান পাকার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন জমি কাদা হয়ে গেছে, অনেক জমিতে ধানগাছ মাটিতে পড়ে আছে, উঠানোরও উপায় নেই।

ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত পাড়ার কৃষক শফিউল ইসলাম ও তার ভাই রবিউল ইসলাম বলেন টানা বৃষ্টিতে আমাদেরও ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে,এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না। এদিকে বৃষ্টির কারণে যেসব জমিতে পানি জমে গেছে, জমির আইল কেটে সেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কৃষকের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসে গ্রামীণ এলাকায় বেড়েছে শীতের অনুভূতি। সকালে ও রাতে জনজীবনে পড়েছে তার প্রভাব।

‎মৌসুমের এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি যেমন কৃষকদের ধান কাটার পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে, তেমনি শীতের আগমনী বার্তাও এনে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলে।