ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে সাহাবীর হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে কারাগারে নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচি ঘোষণা। মোঃ ইসমাইল হোসেন, ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪

নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে টানা বৃষ্টিতে ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি বিপাকে কৃষকরা

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ মকবুলার রহমান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

‎বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সঙ্গে নেমে এসেছে হালকা শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ এই বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের আমন ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জমির ধানগাছ ভারি হয়ে নুইয়ে পড়েছে, আবার অনেক ক্ষেতেই গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

নীলফামারীর ডোমার, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা গেছে, পাকা ধান কাটার আগেই গাছ নুয়ে পড়েছে। অনেকে আগাম ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধানের মান ও ফলন—দুটোই কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

‎একই অবস্থা পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারীতেও। স্থানীয় কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী লাভলু জানান, ধান পাকার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন জমি কাদা হয়ে গেছে, অনেক জমিতে ধানগাছ মাটিতে পড়ে আছে, উঠানোরও উপায় নেই।

ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত পাড়ার কৃষক শফিউল ইসলাম ও তার ভাই রবিউল ইসলাম বলেন টানা বৃষ্টিতে আমাদেরও ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে,এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না। এদিকে বৃষ্টির কারণে যেসব জমিতে পানি জমে গেছে, জমির আইল কেটে সেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কৃষকের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসে গ্রামীণ এলাকায় বেড়েছে শীতের অনুভূতি। সকালে ও রাতে জনজীবনে পড়েছে তার প্রভাব।

‎মৌসুমের এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি যেমন কৃষকদের ধান কাটার পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে, তেমনি শীতের আগমনী বার্তাও এনে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে টানা বৃষ্টিতে ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি বিপাকে কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
print news

মোঃ মকবুলার রহমান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

‎বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সঙ্গে নেমে এসেছে হালকা শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ এই বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের আমন ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জমির ধানগাছ ভারি হয়ে নুইয়ে পড়েছে, আবার অনেক ক্ষেতেই গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

নীলফামারীর ডোমার, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা গেছে, পাকা ধান কাটার আগেই গাছ নুয়ে পড়েছে। অনেকে আগাম ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধানের মান ও ফলন—দুটোই কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

‎একই অবস্থা পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারীতেও। স্থানীয় কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী লাভলু জানান, ধান পাকার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন জমি কাদা হয়ে গেছে, অনেক জমিতে ধানগাছ মাটিতে পড়ে আছে, উঠানোরও উপায় নেই।

ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত পাড়ার কৃষক শফিউল ইসলাম ও তার ভাই রবিউল ইসলাম বলেন টানা বৃষ্টিতে আমাদেরও ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে,এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না। এদিকে বৃষ্টির কারণে যেসব জমিতে পানি জমে গেছে, জমির আইল কেটে সেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কৃষকের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসে গ্রামীণ এলাকায় বেড়েছে শীতের অনুভূতি। সকালে ও রাতে জনজীবনে পড়েছে তার প্রভাব।

‎মৌসুমের এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি যেমন কৃষকদের ধান কাটার পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে, তেমনি শীতের আগমনী বার্তাও এনে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলে।