ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসময়ে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি ফলে কৃষকের লাগানো মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ধান-গমসহ নানা ফসলের খেত ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

অসময়ে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায়  রংপুর সহ আশপাশ এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১৩০ মিলিমিটার। ফলে নিম্নাঞ্চল চরের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার রাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ে গাছ-পালা ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

জানা গেছে, তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার ও গতকালের মধ্যে অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়েছে ৪০ সেন্টিমিটার। একই ভাবে ধরলা ও ব্রক্ষপুত্র নদের পানি বেড়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে পানি বাড়লেও বন্যার শঙ্কা নেই। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ার চরে কৃষকের লাগানো মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ধান-গমসহ নানা ফসলের খেত ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, প্রতিবছর শীতকালে পানি কমে যাওয়ার পর তারা তিস্তার বালুচরে নানারকম ফসল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এবার বৈশাখ মাসে হঠাৎ তিস্তার পানি বাড়ায় তাদের ফসলের  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকে অপরিপক্ব ধান কেটে নিচ্ছেন। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে শনিবার সকাল ৯ টা থেকে রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১৩০ মিলিমিটার। 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ  মোস্তফিজার রহমান জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত আরও ৪ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি জানান, এপ্রিলে সাধারণত এমন বৃষ্টি হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অসময়ে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি ফলে কৃষকের লাগানো মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ধান-গমসহ নানা ফসলের খেত ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

অসময়ে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায়  রংপুর সহ আশপাশ এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১৩০ মিলিমিটার। ফলে নিম্নাঞ্চল চরের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার রাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ে গাছ-পালা ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

জানা গেছে, তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার ও গতকালের মধ্যে অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়েছে ৪০ সেন্টিমিটার। একই ভাবে ধরলা ও ব্রক্ষপুত্র নদের পানি বেড়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে পানি বাড়লেও বন্যার শঙ্কা নেই। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ার চরে কৃষকের লাগানো মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ধান-গমসহ নানা ফসলের খেত ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, প্রতিবছর শীতকালে পানি কমে যাওয়ার পর তারা তিস্তার বালুচরে নানারকম ফসল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এবার বৈশাখ মাসে হঠাৎ তিস্তার পানি বাড়ায় তাদের ফসলের  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকে অপরিপক্ব ধান কেটে নিচ্ছেন। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে শনিবার সকাল ৯ টা থেকে রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১৩০ মিলিমিটার। 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ  মোস্তফিজার রহমান জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত আরও ৪ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি জানান, এপ্রিলে সাধারণত এমন বৃষ্টি হয় না।