ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি পলাশবাড়ীতে প্লাবন হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা লিটন গ্রেপ্তার ড. ইউনূসকে হয়রানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা ২০২৭ প্রকাশ বিএনপির সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই ভাঙ্গুড়ায় গুমানী নদীতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা বেনাপোলে চার পূজামণ্ডপে বিএনপির নেতার আর্থিক অনুদান প্রদান তিন দিনে শাবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু, শোকের ছায়া ক্যাম্পাসে জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় জিতেশ চন্দ্র গোপের মৃত্যুদণ্ড

রংপুর অঞ্চলে কৃষিতে সুবাতাস লেগেছে

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলা নিয়ে রংপুর কৃষি অঞ্চল।

রংপুর অঞ্চলে কৃষিতে সুবাতাস লেগেছে। প্রতি বছরই কৃষি অফিসের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফসল আবাদ করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ অঞ্চলের উৎপাদিত ফসল স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। ফলে কৃষকরা কোনো একটি ফসলে লোকসান হলেও পরবর্তী ফসলে তা পুষিয়ে নিচ্ছেন।

বর্তমানে এ অঞ্চলে চলছে বোরো আবাদের ভরা মৌসুম। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৪ হেক্টর। সেখানে এবার আবাদ হয়েছে ৫ লাখ ৯ হাজার ১৯৪ হেক্টর।

অপরদিকে আলুতে কৃষকরা লোকসান দিলেও এবার কৃষি অফিসের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। এবার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৭০০ হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৮৫ হেক্টর। তবে গত বছরও লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে আলুর আবাদ হয়েছিল ১ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরে।কয়েক বছর থেকে ভুট্টার অবাদ বাড়ছে এ অঞ্চলে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে ভুট্টার অবাদ হয়েছে। এবার ভুট্টার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৩০ হেক্টর। পিঁয়াজের আবাদও বেড়েছে।

মৌসুমে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় সারিবদ্ধ ট্রাকে শাকসবজি দেশের অন্য জেলায় যাচ্ছে। এ বছর শাকসবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪২ হাজার ১৩০ হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ৪৪ হাজার ৩০৯ হেক্টর জমিতে। প্রায় হারিয়ে যাওয়া ফসল তিল চাষেও রংপুরের কৃষকরা মনোযোগী হয়েছেন। তিল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২৬ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি জমিতে এবার তিলের আবাদ হয়েছে।

কৃষিতে বিভিন্ন শস্যের ভালো ফলন প্রসঙ্গে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুর ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের সুষ্ঠু মনিটরিং থাকায় কৃষকরা উৎসাহিত হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফসল উৎপাদন হয়েছে। আর কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, এ অঞ্চলের কৃষকরা বছরে জমিতে তিন থেকে চারটি ফসল আবাদ করে। ফলে একটি ফসলে লোকসান হলেও পরবর্তী ফসলে লোকসান পুষিয়ে নিতে পারেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হচ্ছে, এটি ভালো লক্ষণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুর অঞ্চলে কৃষিতে সুবাতাস লেগেছে

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলা নিয়ে রংপুর কৃষি অঞ্চল।

রংপুর অঞ্চলে কৃষিতে সুবাতাস লেগেছে। প্রতি বছরই কৃষি অফিসের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফসল আবাদ করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ অঞ্চলের উৎপাদিত ফসল স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। ফলে কৃষকরা কোনো একটি ফসলে লোকসান হলেও পরবর্তী ফসলে তা পুষিয়ে নিচ্ছেন।

বর্তমানে এ অঞ্চলে চলছে বোরো আবাদের ভরা মৌসুম। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৪ হেক্টর। সেখানে এবার আবাদ হয়েছে ৫ লাখ ৯ হাজার ১৯৪ হেক্টর।

অপরদিকে আলুতে কৃষকরা লোকসান দিলেও এবার কৃষি অফিসের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। এবার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৭০০ হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৮৫ হেক্টর। তবে গত বছরও লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে আলুর আবাদ হয়েছিল ১ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরে।কয়েক বছর থেকে ভুট্টার অবাদ বাড়ছে এ অঞ্চলে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে ভুট্টার অবাদ হয়েছে। এবার ভুট্টার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৩০ হেক্টর। পিঁয়াজের আবাদও বেড়েছে।

মৌসুমে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় সারিবদ্ধ ট্রাকে শাকসবজি দেশের অন্য জেলায় যাচ্ছে। এ বছর শাকসবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪২ হাজার ১৩০ হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ৪৪ হাজার ৩০৯ হেক্টর জমিতে। প্রায় হারিয়ে যাওয়া ফসল তিল চাষেও রংপুরের কৃষকরা মনোযোগী হয়েছেন। তিল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২৬ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি জমিতে এবার তিলের আবাদ হয়েছে।

কৃষিতে বিভিন্ন শস্যের ভালো ফলন প্রসঙ্গে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুর ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের সুষ্ঠু মনিটরিং থাকায় কৃষকরা উৎসাহিত হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফসল উৎপাদন হয়েছে। আর কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, এ অঞ্চলের কৃষকরা বছরে জমিতে তিন থেকে চারটি ফসল আবাদ করে। ফলে একটি ফসলে লোকসান হলেও পরবর্তী ফসলে লোকসান পুষিয়ে নিতে পারেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হচ্ছে, এটি ভালো লক্ষণ।