ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিউএস র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকার কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা পটুয়াখালীতে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে জাহাজ দুর্ঘটনায় কেন এখনো তদন্ত শুরু করতে পারেনি কমিটি সরকারের ছয় মাস পূর্তি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভা মিয়ানমার বলছে বাংলাদেশে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে কৃষি ও পল্লী ঋণে ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ১৮০ দিনের পথচলায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে সরকার: মাহদী আমিন মুদ্রণযন্ত্র: মানব সভ্যতার বিকাশে এক বৈপ্লবিক প্রযুক্তিগত মাইলফলক বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে আহত ২০

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও লালমনিরহাটে টানা ভারী বর্ষণের ফলে ১২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩২১ বার পড়া হয়েছে

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও লালমনিরহাটে টানা ভারী বর্ষণের ফলে ১২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ

আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) সোমবার ভোর থেকে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে।

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢললালমনিরহাটে টানা ভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার কালিগঞ্জ, আদিতমারী, মহিষখোচা, গোবর্ধন, গড্ডিমারী, সানিয়াজান, ধুবনি, উপজেলার ভোটমারি, চরবৈরাতী, সদর উপজেলার রাজপুর, খুনিয়াগাছ, হরিণচড়া, কালমাটি সহ অন্তত ১২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানিতে ডুবে গেছে আমন ধানক্ষেত ও মৌসুমি ফসল। ঘরবাড়িতে পানি উঠায় অনেক পরিবার রাস্তার পাশে কিংবা বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। চুলায় পানি উঠায় তারা বাঁধের উপর রান্না করছে। ইতিমধ্যেই গবাদিপশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবারগুলো মারাত্মক সংকটে পড়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ৩ দিন তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানিয়েছেন, ভাঙন রোধে যেখানে সমস্যা দেখা দেবে সেখানে জিওব্যাগে বালু ভরাট করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানভাসিদের পূর্ণবাসনের জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হাওলাদার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত সহায়তা দেওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও লালমনিরহাটে টানা ভারী বর্ষণের ফলে ১২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী

আপডেট সময় : ০৭:২২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ

আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) সোমবার ভোর থেকে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে।

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢললালমনিরহাটে টানা ভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার কালিগঞ্জ, আদিতমারী, মহিষখোচা, গোবর্ধন, গড্ডিমারী, সানিয়াজান, ধুবনি, উপজেলার ভোটমারি, চরবৈরাতী, সদর উপজেলার রাজপুর, খুনিয়াগাছ, হরিণচড়া, কালমাটি সহ অন্তত ১২টি গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানিতে ডুবে গেছে আমন ধানক্ষেত ও মৌসুমি ফসল। ঘরবাড়িতে পানি উঠায় অনেক পরিবার রাস্তার পাশে কিংবা বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। চুলায় পানি উঠায় তারা বাঁধের উপর রান্না করছে। ইতিমধ্যেই গবাদিপশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবারগুলো মারাত্মক সংকটে পড়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ৩ দিন তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানিয়েছেন, ভাঙন রোধে যেখানে সমস্যা দেখা দেবে সেখানে জিওব্যাগে বালু ভরাট করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানভাসিদের পূর্ণবাসনের জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হাওলাদার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত সহায়তা দেওয়া যায়।