ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেত্রকোণায় জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন খিলগাঁওয়ে দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ভোলায় গৃহবধূকে ধর্ষণ করতে গিয়ে বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত কুড়িগ্রামে আবাসিক হোটেলে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, হোটের মালিক গ্রেফতার কেল্লাপোষী মেলা শেষ, কিন্তু প্রশ্ন আরও বড় হয়ে ফিরে এসেছ কুমিল্লায় স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী গ্রেফতার বাজিতপুর উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আরপিএমপি’র উদ্যোগে গভীর শ্রদ্ধা ও মোনাজাত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আশাশুনি উপজেলাকে ১টি সংসদীয় আসনের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন

মোঃ আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আশাশুনি উপজেলাকে ১টি সংসদীয় আসনের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

 

মোঃ আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলাকে একীভূত করে সংসদীয় আসন-১০৭ (সাতক্ষীরা-৪) করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবী জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাওঃ এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাসের পুত্র ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নু.আ.ম. মুরতাজা আলী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ আবেদন করেছেন।
লিখিত আবেদনে তিনি জানান,সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশ স্বাধীনের পর হতে-২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত ২টি আসন ছিল। ১টি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৩ আশাশুনি ও অপরটি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৫ শ্যামনগর উপজেলা আসন ছিল। যা ছিল ভৌগলিকভাবে দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগপূর্ণ উপকূল এলাকা বিবেচনায়। এরপর বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াত ও বিএনপির বেজ এলাকা বাছাই করে শুধু ভোটার সংখ্যার বিবেচনায় বেশ কিছু সংসদীয় এলাকায় আসন কমিয়ে তাদের সুবিধামত ঢাকা সহ আরো কিছু জায়গায় আসন বৃদ্ধি করা হয়। তার-ই অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসন গঠিত হয়ে ১টি আসন কমানো হয়। কিন্তু এবার আশাশুনি ও শ্যামনগরকে ১টি মাত্র সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৪ আসন করায় বিষয়টি সমাধান না করে আরো জটিল হয়েছে। কারণ ভৌগলিক দিক থেকে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা অনেক বিস্তৃত ও নদী বহুল অঞ্চল। আশাশুনি উপজেলাটি নদী দিয়ে চার খন্ডে বিভক্ত,শ্যামনগর তিন খন্ডে বিভক্ত এবং আশাশুনির সাথে শ্যামনগরের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম উপজেলা,আশাশুনিও তার পাশাপাশি বড়।
২টি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যান্য উপজেলার তুলনায় অনেক দুর্গম ও খারাপ। প্রতি বছর নদী ভেঙ্গে কোনো না কোনো এলাকা প্লাবিত হয়। এই বিশাল এলাকার ১০ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর নিয়ে নির্বাচন করা ১জন সংসদ সদস্যের পক্ষে দুরূহ। যার ফলে উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গনসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর তদারকি করা সম্ভব নয়। তাই ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে ভৌগলিক অবস্থান,দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপকূল এলাকা হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে আশাশুনি উপজেলা ও শ্যামনগর উপজেলাকে দুটি সংসদীয় আসন করা সহ বাকি আসন গুলো পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে আনা জরুরী। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশন মহোদয়ের উল্লেখিত(ইং-৩১/০৭/২০২৫) সিন্ধান্তের ঘোর আপত্তি করছি। জনস্বার্থে আসন পূনর্বিন্যাসের নতুন সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় আশাশুনি উপজেলাকে ১টি
সংসদীয় আসন-১০৭(সাতক্ষীরা-৩) ঘোষনার জোর দাবী জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আশাশুনি উপজেলাকে ১টি সংসদীয় আসনের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
print news

 

মোঃ আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলাকে একীভূত করে সংসদীয় আসন-১০৭ (সাতক্ষীরা-৪) করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবী জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাওঃ এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাসের পুত্র ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নু.আ.ম. মুরতাজা আলী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ আবেদন করেছেন।
লিখিত আবেদনে তিনি জানান,সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশ স্বাধীনের পর হতে-২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত ২টি আসন ছিল। ১টি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৩ আশাশুনি ও অপরটি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৫ শ্যামনগর উপজেলা আসন ছিল। যা ছিল ভৌগলিকভাবে দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগপূর্ণ উপকূল এলাকা বিবেচনায়। এরপর বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াত ও বিএনপির বেজ এলাকা বাছাই করে শুধু ভোটার সংখ্যার বিবেচনায় বেশ কিছু সংসদীয় এলাকায় আসন কমিয়ে তাদের সুবিধামত ঢাকা সহ আরো কিছু জায়গায় আসন বৃদ্ধি করা হয়। তার-ই অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসন গঠিত হয়ে ১টি আসন কমানো হয়। কিন্তু এবার আশাশুনি ও শ্যামনগরকে ১টি মাত্র সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৪ আসন করায় বিষয়টি সমাধান না করে আরো জটিল হয়েছে। কারণ ভৌগলিক দিক থেকে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা অনেক বিস্তৃত ও নদী বহুল অঞ্চল। আশাশুনি উপজেলাটি নদী দিয়ে চার খন্ডে বিভক্ত,শ্যামনগর তিন খন্ডে বিভক্ত এবং আশাশুনির সাথে শ্যামনগরের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম উপজেলা,আশাশুনিও তার পাশাপাশি বড়।
২টি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যান্য উপজেলার তুলনায় অনেক দুর্গম ও খারাপ। প্রতি বছর নদী ভেঙ্গে কোনো না কোনো এলাকা প্লাবিত হয়। এই বিশাল এলাকার ১০ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর নিয়ে নির্বাচন করা ১জন সংসদ সদস্যের পক্ষে দুরূহ। যার ফলে উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গনসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর তদারকি করা সম্ভব নয়। তাই ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে ভৌগলিক অবস্থান,দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপকূল এলাকা হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে আশাশুনি উপজেলা ও শ্যামনগর উপজেলাকে দুটি সংসদীয় আসন করা সহ বাকি আসন গুলো পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে আনা জরুরী। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশন মহোদয়ের উল্লেখিত(ইং-৩১/০৭/২০২৫) সিন্ধান্তের ঘোর আপত্তি করছি। জনস্বার্থে আসন পূনর্বিন্যাসের নতুন সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় আশাশুনি উপজেলাকে ১টি
সংসদীয় আসন-১০৭(সাতক্ষীরা-৩) ঘোষনার জোর দাবী জানিয়েছেন তিনি।