মায়ামিতে মেসির শততম গোল ও শিরোপা জয়
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

ক্যাম্পিওনেস কাপ জয়ের মধ্য দিয়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি। ক্লাবটির হয়ে নিজের শততম গোল করার পাশাপাশি দলকে শিরোপার স্বাদ পাইয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। ফাইনালে ২-০ গোলের জয়ে মেসি নিজে একটি গোল করার পর অন্য গোলটি করিয়েছেন কাসিমেরোকে দিয়ে।
জাতীয় দল ও ক্লাবের জার্সি মিলিয়ে মেসির গোলসংখ্যা ইতিমধ্যে ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। গোল করার পাশাপাশি আক্রমণ সাজানোর কারিগর হিসেবেও তিনি অনন্য। স্প্যানিশ লা লিগার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি মেসির দখলে। এছাড়া এক মৌসুমে লা লিগায় সর্বোচ্চ ৫০ গোল, ইউরোপীয় ফুটবলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৭৩ গোল, এক বর্ষপঞ্জিতে সর্বোচ্চ ৫১ গোল এবং এল ক্লাসিকোতে সর্বোচ্চ ২৫ গোলের রেকর্ডও তাঁর নামের পাশে শোভা পাচ্ছে। লা লিগায় সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর রেকর্ডটিও তাঁরই।
আজকের এই বিশ্বসেরা ফুটবলার হয়ে ওঠার পথটা মেসির জন্য সহজ ছিল না। শৈশবে গ্রোথ হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি, যার চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনা তাদের যুব একাডেমিতে নিয়ে আসে এই বিস্ময় বালককে। মেসির ট্রায়াল দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন একাডেমির তৎকালীন পরিচালক যে, হাতের কাছে কাগজ না পেয়ে একটি রুমালেই চুক্তিপত্র লিখে ফেলেছিলেন। এরপর ২০০৪ সালের অক্টোবরে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক হয় তাঁর। ২০০৬ বিশ্বকাপের আগেই তারকাখ্যাতি পেলেও মেসির আসল উত্থান ঘটে ২০০৭ সালে, যখন তিনি ব্যালন ডি'অর ও ফিফা বর্ষসেরার তালিকায় শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেন। এরপর ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে প্রায় একার জাদুতে আর্জেন্টিনাকে চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে যান তিনি।
মাঠের বাইরে ২০১৭ সালের জুনে দীর্ঘদিনের বান্ধবী আন্তোনেয়া রোকুজ্জোকে বিয়ে করেন মেসি। রোকুজ্জোকে তিনি ৫ বছর বয়স থেকে চেনতেন এবং ২০ বছর বয়সে তাঁদের প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসে। এই দম্পতির ঘরে রয়েছে তিন ছেলে—থিয়াগো (জন্ম ২০১২), মাতেও (জন্ম ২০১৫) এবং চিরো (জন্ম ২০১৮)।
জনপ্রিয়তার পাশাপাশি মেসি ইউনিসেফ ও নিজের প্রতিষ্ঠিত 'মেসি ফাউন্ডেশন' সহ বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকে শিশুদের ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কিছু বিতর্কও তাঁর সঙ্গী হয়েছে। স্পেনে কর ফাঁকির মামলায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ছাড়াও আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এক ম্যাচে রেফারিকে গালি দিয়ে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন তিনি, যা পরে কমিয়ে আনা হয়। প্রথম আলো বাংলার (bangla) ২০২৬ (2026) সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের (2026-09-16) একটি প্রতিবেদনে (oy59ixqg/455891-01-02 বা 455891) তাঁর এই দাতব্য কাজের ছবি প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া প্রথম আলো বাংলার (bangla) ২০২৬ (2026) সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের (2026-09-17) আরেকটি প্রতিবেদনে (96279m5z/481565-01-02 বা 481565, আইডি: 96279) মেসির ক্যারিয়ারের অন্যান্য দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
2026-07-19T192121Z65005840UP1EM7J1HRJ01RTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-ESP-ARG.JPG
prothomalo-bangla/2026-09-16/soelt138/2026-07-19T192121Z65005840UP1EM7J1HRJ01RTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-ESP-ARG.JPG



























