বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট লড়াইয়ে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গুরুত্ব
- আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি লড়াই গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপের পর্দা নামার অপেক্ষায় রয়েছে ফুটবল বিশ্ব। আগামী রোববার আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের আগে শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। তবে ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল জানিয়েছেন, সেমিফাইনালে হারের পর এই ম্যাচের প্রতি খেলোয়াড়দের আগ্রহ খুব একটা নেই। টুখেলের মতে, ফাইনাল খেলার লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় কোনো দলই এই ম্যাচটি খেলতে খুব একটা আগ্রহী নয়।
ম্যাচের গুরুত্ব খেলোয়াড়দের কাছে কম মনে হলেও গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাইজমানি ছাড়াও এই ম্যাচে করা গোলগুলো গোল্ডেন বুটের হিসাবে যুক্ত হবে। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম ও উসমান দেম্বেলে এই ম্যাচে মাঠে নামলে গোল্ডেন বুটের চূড়ান্ত ফলাফলে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
বর্তমানে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে আট গোল করে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন, তবে অ্যাসিস্টের হিসাবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এগিয়ে আছেন। সাত গোল করা আর্লিং হালান্ড নরওয়ে বিদায় নেওয়ায় দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের গোলসংখ্যা ছয়টি করে এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওয়ারসাবাল পাঁচটি করে গোল করেছেন। তাই ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড তাদের সেরা একাদশ নামাবে কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে গোল্ডেন বুট জয়ীর ভাগ্য।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুট জেতার ক্ষেত্রে সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের কোচ গ্যারেথ সাউথগেট সেমিফাইনালের একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন আনলেও হ্যারি কেইন খেলেছিলেন, যদিও তিনি গোল পাননি। তবে অতীতে থমাস মুলার (২০১০), ডেভর সুকার (১৯৯৮), সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০), লিওনিদাস (১৯৩৮), গ্রেগর লাতো (১৯৭৪), ইউসেবিও (১৯৬৬) এবং জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮)-এর মতো তারকারা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করে নিজেদের গোল্ডেন বুট জয়ের পথ সুগম করেছিলেন। এবারও ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করে দিতে পারে কে হবেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
























