ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে ছায়ানটের শরৎ উৎসব সাহিত্যে নোবেল জয়: অ্যান কারসনের সৃষ্টিশীলতায় মুগ্ধ বিশ্বজুড়ে লেখককুল রোববার ভারত সফরে যাচ্ছে তিন সদস্যের সরকারি প্রতিনিধিদল শান্তিতে নোবেল পেলেন মানবাধিকার কর্মী নাভি পিল্লাই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্রেক্সিট-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের ভূমিকা রাবিতে সাংবাদিকের ওপর হামলা: ৪ ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল সিরাজগঞ্জে সেপ্টেম্বর মাসের শ্রেষ্ঠ সম্মাননা পেলেন ২ পুলিশ কর্মকর্তা ৩০ বছর পর কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী খোকন স্মার্ট ডাকসেবার প্রত্যয়ে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডাক দিবস ইতালিতে বিতর্কিত নির্বাচনী সংস্কার পাস, বিরোধীদের ‘প্রতারণার’ অভিযোগ

ফাইনালে কাকে চান, জানালেন স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফ্রান্সকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠার পরপরই পুরো স্পেন জুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে দলটি। তবে এই আনন্দের মুহূর্তগুলোতেও কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের চিরচেনা শান্ত ভাব বজায় রেখেছেন। যদিও তার কণ্ঠে আবেগের স্পষ্ট ছাপ ছিল। ফাইনালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দে লা ফুয়েন্তে জানান, সেমিফাইনালে থাকা প্রতিটি দলই অত্যন্ত মানসম্পন্ন। তিনি বলেন, স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচটি যেন একটি আগাম ফাইনাল ছিল, ঠিক তেমনই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচটিও আরেকটি আগাম ফাইনাল। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা চার দল যে এমনি এমনি মুখোমুখি হচ্ছে না, তা তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন যে ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।

ফাইনালে কোন দলের মুখোমুখি হতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে স্প্যানিশ কোচ জানান, খেলার দিক থেকে তার কোনো পছন্দ নেই এবং উভয় দলই সমান শক্তিশালী। তবে আবেগের জায়গা থেকে তিনি লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে ইংল্যান্ড দলের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। দে লা ফুয়েন্তে বলেন, দুই বড় দলের লড়াইটি অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হবে এবং স্পেন উভয় দলকেই খোলা মনে স্বাগত জানাবে।

ফাইনাল নিয়ে ভাবনার আগে নিজের দলের পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে জয়ের জন্য তিনি স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আজ তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের মুখোমুখি হলেও তাদের সামনে ছিল বিশ্বের সেরা দল। স্প্যানিশ ফুটবলাররা রক্ষণ ও আক্রমণ—উভয় ক্ষেত্রেই নিজেদের সামলাতে দক্ষ, যা স্প্যানিশ ফুটবলের একটি বড় অর্জন। এই সাফল্য কোচ, দল এবং ক্লাবগুলোর সম্মিলিত অর্জন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালে কাকে চান, জানালেন স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ফ্রান্সকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠার পরপরই পুরো স্পেন জুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে দলটি। তবে এই আনন্দের মুহূর্তগুলোতেও কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের চিরচেনা শান্ত ভাব বজায় রেখেছেন। যদিও তার কণ্ঠে আবেগের স্পষ্ট ছাপ ছিল। ফাইনালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দে লা ফুয়েন্তে জানান, সেমিফাইনালে থাকা প্রতিটি দলই অত্যন্ত মানসম্পন্ন। তিনি বলেন, স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচটি যেন একটি আগাম ফাইনাল ছিল, ঠিক তেমনই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচটিও আরেকটি আগাম ফাইনাল। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা চার দল যে এমনি এমনি মুখোমুখি হচ্ছে না, তা তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন যে ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।

ফাইনালে কোন দলের মুখোমুখি হতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে স্প্যানিশ কোচ জানান, খেলার দিক থেকে তার কোনো পছন্দ নেই এবং উভয় দলই সমান শক্তিশালী। তবে আবেগের জায়গা থেকে তিনি লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে ইংল্যান্ড দলের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। দে লা ফুয়েন্তে বলেন, দুই বড় দলের লড়াইটি অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হবে এবং স্পেন উভয় দলকেই খোলা মনে স্বাগত জানাবে।

ফাইনাল নিয়ে ভাবনার আগে নিজের দলের পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে জয়ের জন্য তিনি স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আজ তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের মুখোমুখি হলেও তাদের সামনে ছিল বিশ্বের সেরা দল। স্প্যানিশ ফুটবলাররা রক্ষণ ও আক্রমণ—উভয় ক্ষেত্রেই নিজেদের সামলাতে দক্ষ, যা স্প্যানিশ ফুটবলের একটি বড় অর্জন। এই সাফল্য কোচ, দল এবং ক্লাবগুলোর সম্মিলিত অর্জন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor