ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পোর্ট অব স্পেন টেস্টে জয়ের স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় করার আহ্বান মাহদী আমিনের মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটার কাছে ট্রাইব্যুনালের চিঠি চন্দনাইশে বিএনপির গণসমাবেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ১১ দলীয় ঐক্যের আনন্দ মিছিল গোবিপ্রবিতে হলের ফিস্টে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের অভিযোগ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান হরমুজ প্রণালির নৌপথ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাল ইরান ও ওমান পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের রিপোর্টে জুলাই-আগস্টের নৃশংসতার ভয়ংকর চিত্র, নিহত ১৪শ

৬৩ আলোকবর্ষ দূরে নতুন বহির্গ্রহের সন্ধান পেল নাসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৩ আলোকবর্ষ দূরে নতুন একটি বহির্গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৫ জুলাই এক ঘোষণায় জানায়, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে বিটা পিক্টোরিস নামের তরুণ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা তৃতীয় একটি গ্রহের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে বিটা পিক্টোরিস ডি। এর আগে ওই নক্ষত্রজগতে আরও দুটি বড় গ্রহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। নতুন এই গ্রহটি যুক্ত হওয়ায় নক্ষত্রজগতটি মহাকাশ গবেষণায় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নাসার গবেষকরা জানিয়েছেন, এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রক্রিয়া এবং তরুণ নক্ষত্রজগতের বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিতে সক্ষম হবে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের শক্তিশালী ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রহটির অবস্থান, আকার ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গবেষকরা জানান, টেলিস্কোপটির নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক সংকেত শনাক্ত করা হয়েছে। সাধারণভাবে উজ্জ্বল আলোর মাধ্যমে নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করেই গ্রহটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিটা পিক্টোরিস নক্ষত্রজগতটি তুলনামূলকভাবে তরুণ হওয়ায় এটি গ্রহ তৈরির প্রাথমিক ধাপ পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এর আগে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ এবং ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট হাজার হাজার বহির্গ্রহ শনাক্ত করেছে। এসব গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা গ্রহগুলোর বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইএসএ-এর গাইয়া মিশন কোটি কোটি নক্ষত্রের অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে, যা মহাবিশ্বের গঠন ও বিবর্তন সম্পর্কে নতুন ধারণা দিচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন এই গ্রহ নিয়ে আরও গবেষণা ভবিষ্যতে দূরের গ্রহগুলোর পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা বাড়াবে। তবে এখন পর্যন্ত বিটা পিক্টোরিস ডি গ্রহে প্রাণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহাকাশের অজানা রহস্য উন্মোচনে আধুনিক টেলিস্কোপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরও নতুন তথ্য সামনে আনবে বলে গবেষকরা আশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

৬৩ আলোকবর্ষ দূরে নতুন বহির্গ্রহের সন্ধান পেল নাসা

আপডেট সময় : ০২:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৩ আলোকবর্ষ দূরে নতুন একটি বহির্গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৫ জুলাই এক ঘোষণায় জানায়, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে বিটা পিক্টোরিস নামের তরুণ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা তৃতীয় একটি গ্রহের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে বিটা পিক্টোরিস ডি। এর আগে ওই নক্ষত্রজগতে আরও দুটি বড় গ্রহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। নতুন এই গ্রহটি যুক্ত হওয়ায় নক্ষত্রজগতটি মহাকাশ গবেষণায় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নাসার গবেষকরা জানিয়েছেন, এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রক্রিয়া এবং তরুণ নক্ষত্রজগতের বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিতে সক্ষম হবে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের শক্তিশালী ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রহটির অবস্থান, আকার ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গবেষকরা জানান, টেলিস্কোপটির নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক সংকেত শনাক্ত করা হয়েছে। সাধারণভাবে উজ্জ্বল আলোর মাধ্যমে নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করেই গ্রহটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিটা পিক্টোরিস নক্ষত্রজগতটি তুলনামূলকভাবে তরুণ হওয়ায় এটি গ্রহ তৈরির প্রাথমিক ধাপ পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এর আগে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ এবং ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট হাজার হাজার বহির্গ্রহ শনাক্ত করেছে। এসব গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা গ্রহগুলোর বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইএসএ-এর গাইয়া মিশন কোটি কোটি নক্ষত্রের অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে, যা মহাবিশ্বের গঠন ও বিবর্তন সম্পর্কে নতুন ধারণা দিচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন এই গ্রহ নিয়ে আরও গবেষণা ভবিষ্যতে দূরের গ্রহগুলোর পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা বাড়াবে। তবে এখন পর্যন্ত বিটা পিক্টোরিস ডি গ্রহে প্রাণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহাকাশের অজানা রহস্য উন্মোচনে আধুনিক টেলিস্কোপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরও নতুন তথ্য সামনে আনবে বলে গবেষকরা আশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh