ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউরোপে রেকর্ড ভাঙতে পারে এবারের দাবানল, সতর্কবার্তা ইইউর ফ্রান্সে স্মার্ট পরিবহন বিষয়ক প্রশিক্ষণে এআইইউবি প্রতিনিধিদল সাগরে নিম্নচাপ: ঢাকার আকাশ মেঘলা, বৃষ্টির পূর্বাভাস মেঘনা তীরে অবৈধ হোটেল, সরকারি অনুমতির তোয়াক্কা নেই তেল ছাড়া লেমন সয়ামিট তৈরির সহজ রেসিপি ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের মুখোমুখি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় নিহত ৩০ বৈশ্বিক সামরিক শিল্পে এআই প্রযুক্তির প্রভাব ও শীর্ষ কোম্পানিগুলোর আধিপত্য বেবি পাউডার মামলা: ৫৫০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে জনসন অ্যান্ড জনসন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

বৈশ্বিক সামরিক শিল্পে এআই প্রযুক্তির প্রভাব ও শীর্ষ কোম্পানিগুলোর আধিপত্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বর্তমানে কেবল প্রযুক্তি খাতের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বৈশ্বিক সামরিক শক্তির ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথাগত ট্যাংক, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং, স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, তথ্য বিশ্লেষণ এবং এআইভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থা দ্রুত অপরিহার্য হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনের ফলে ঐতিহ্যবাহী সামরিক-শিল্প জোট (Military-Industrial Complex) ধীরে ধীরে ‘মিলিটারি-টেক’ বা এআইনির্ভর সামরিক শিল্পে রূপ নিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন সরকার এই খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে, যার একটি বড় অংশ এখন শীর্ষ প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ১৫ বছর মেয়াদে ২ বিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের একটি বিশাল চুক্তি করেছে। রেথিয়ন ইউকের নেতৃত্বাধীন ওমনিয়া ট্রেনিং কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এই চুক্তির আওতায় প্রতিবছর প্রায় ৬০ হাজার সেনাকে এআই ব্যবহার করে যুদ্ধ পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সময়ে ন্যাটো তাদের উন্নত বিমান কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ডেটা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্ডুরিল, প্যালান্টির এবং ফ্রান্সের এথিয়া এসএএস-কে। এর মধ্যে অ্যান্ডুরিলের ‘ল্যাটিস’ সফটওয়্যার বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য একত্র করে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র তৈরিতে সক্ষম।

বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা ব্যয় ২০২৫ সালে বেড়ে প্রায় ২.৮৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) তাদের সেনাবাহিনীকে একটি ‘এআই-ফার্স্ট’ বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিশ্বের শীর্ষ আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর মতে, সামরিক এআই শিল্প বর্তমানে চারটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত—ডিফেন্স প্রাইমস বা ঐতিহ্যবাহী প্রতিরক্ষা ঠিকাদার, নিওপ্রাইমস বা প্রতিরক্ষা স্টার্টআপ, বিগ টেক এবং ফাউন্ডেশনাল মডেল প্রোভাইডার।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈশ্বিক সামরিক শিল্পে এআই প্রযুক্তির প্রভাব ও শীর্ষ কোম্পানিগুলোর আধিপত্য

আপডেট সময় : ১০:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
print news

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বর্তমানে কেবল প্রযুক্তি খাতের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বৈশ্বিক সামরিক শক্তির ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথাগত ট্যাংক, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং, স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, তথ্য বিশ্লেষণ এবং এআইভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থা দ্রুত অপরিহার্য হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনের ফলে ঐতিহ্যবাহী সামরিক-শিল্প জোট (Military-Industrial Complex) ধীরে ধীরে ‘মিলিটারি-টেক’ বা এআইনির্ভর সামরিক শিল্পে রূপ নিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন সরকার এই খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে, যার একটি বড় অংশ এখন শীর্ষ প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ১৫ বছর মেয়াদে ২ বিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের একটি বিশাল চুক্তি করেছে। রেথিয়ন ইউকের নেতৃত্বাধীন ওমনিয়া ট্রেনিং কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এই চুক্তির আওতায় প্রতিবছর প্রায় ৬০ হাজার সেনাকে এআই ব্যবহার করে যুদ্ধ পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সময়ে ন্যাটো তাদের উন্নত বিমান কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ডেটা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্ডুরিল, প্যালান্টির এবং ফ্রান্সের এথিয়া এসএএস-কে। এর মধ্যে অ্যান্ডুরিলের ‘ল্যাটিস’ সফটওয়্যার বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য একত্র করে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র তৈরিতে সক্ষম।

বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা ব্যয় ২০২৫ সালে বেড়ে প্রায় ২.৮৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) তাদের সেনাবাহিনীকে একটি ‘এআই-ফার্স্ট’ বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিশ্বের শীর্ষ আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর মতে, সামরিক এআই শিল্প বর্তমানে চারটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত—ডিফেন্স প্রাইমস বা ঐতিহ্যবাহী প্রতিরক্ষা ঠিকাদার, নিওপ্রাইমস বা প্রতিরক্ষা স্টার্টআপ, বিগ টেক এবং ফাউন্ডেশনাল মডেল প্রোভাইডার।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin