ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, সারা দেশে গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথির নৌ অবরোধের ঘোষণার তীব্র নিন্দা কাতারের ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে মেসির রহস্যঘেরা সেই বক্তব্য নিয়ে জল্পনা অ্যাপল ওয়াচের ‘ওয়াটার লক’ ফিচার যেভাবে স্মার্টওয়াচকে সুরক্ষা দেয় যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহাম ঢাকার বাড্ডায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ফ্রান্সের নতুন কোচ হিসেবে জিদানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি ভারতের সিকিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে ৯ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা জানালেন উপদেষ্টা ডা. জাহেদ দিল্লিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল ও জোটের নেতারা ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন না করায় তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শরিক দলের নেতাদের আয়োজিত নৈশভোজে এসব বিষয়সহ রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত শরিক দলের নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অবিশ্বাস, সন্দেহ ও অনাস্থার জায়গা থেকে নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, এটি কি কেবল নৈশভোজ নাকি বিদায়ী কোনো আয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে 'ওয়েলকাম ডিনার' হিসেবে অভিহিত করে কিছু ত্রুটি ও ঘাটতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি শরিকদের সঙ্গে জুলাই ও ৩১ দফা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং ঘাটতিগুলো নিয়ে বিএনপি, সরকার ও শরিকদের পুনরায় আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৈঠকে ছয়জন নেতা বক্তব্য রাখেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না জানান, তিনি ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চান না, তবে সরকার ব্যর্থ হলে তার দায়ভার তারা নেবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও কাজের সংস্কৃতির প্রশংসা করলেও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের পিছিয়ে পড়ার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সংস্কার, ৩১ দফা এবং জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ মোকাবিলায় সরকার হিমশিম খাচ্ছে। সাইফুল হক আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, মাঠ পর্যায়ে সরকার দৃশ্যমান থাকলেও বিএনপি নেই, যা বিরোধী দল ও জামায়াতের জন্য সুযোগ তৈরি করছে। যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোও আগের মতো সক্রিয় নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৬ জন বক্তব্যে রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু ত্রুটি এবং ঘাটতি হয়েছে ৷ এজন্য তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
print news

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল ও জোটের নেতারা ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন না করায় তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শরিক দলের নেতাদের আয়োজিত নৈশভোজে এসব বিষয়সহ রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত শরিক দলের নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অবিশ্বাস, সন্দেহ ও অনাস্থার জায়গা থেকে নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, এটি কি কেবল নৈশভোজ নাকি বিদায়ী কোনো আয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে 'ওয়েলকাম ডিনার' হিসেবে অভিহিত করে কিছু ত্রুটি ও ঘাটতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি শরিকদের সঙ্গে জুলাই ও ৩১ দফা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং ঘাটতিগুলো নিয়ে বিএনপি, সরকার ও শরিকদের পুনরায় আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৈঠকে ছয়জন নেতা বক্তব্য রাখেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না জানান, তিনি ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চান না, তবে সরকার ব্যর্থ হলে তার দায়ভার তারা নেবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও কাজের সংস্কৃতির প্রশংসা করলেও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের পিছিয়ে পড়ার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সংস্কার, ৩১ দফা এবং জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ মোকাবিলায় সরকার হিমশিম খাচ্ছে। সাইফুল হক আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, মাঠ পর্যায়ে সরকার দৃশ্যমান থাকলেও বিএনপি নেই, যা বিরোধী দল ও জামায়াতের জন্য সুযোগ তৈরি করছে। যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোও আগের মতো সক্রিয় নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৬ জন বক্তব্যে রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু ত্রুটি এবং ঘাটতি হয়েছে ৷ এজন্য তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin