ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় কোচিং করতে আসা কিশোর রাকিবকে হত্যার পর নীলফামারীতে লাশ গুম ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের ক্ষতি করতে পারবে না: সালাউদ্দিন টুকু নিকাব পরিহিত ছাত্রীকে হেনস্তার ঘটনায় প্রতিবাদ জানাল ইসলামী ছাত্রীসংস্থা জগন্নাথপুরে নবনিযুক্ত ৭৮ প্রাথমিক শিক্ষককে বরণ করল শিক্ষক সমিতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম তোলার শেষ দিনে আবেদনের উপচে পড়া ভিড় উত্তরায় বাসে ধাক্কা: ঢাকা কলেজ ও আইইউবিএটি শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা শ্রমিকের অধিকার রক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সেপ্টেম্বরে ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি ওষুধশিল্পে অবদানের স্বীকৃতি, রসায়নে নোবেল দুই বিজ্ঞানীর যুক্তরাজ্যে ‘সমকামী’ সেজে আশ্রয় আবেদন, গ্রেপ্তার ৩ বাংলাদেশি

নিজেদের প্রয়োজনে বিমান কিনছে বাংলাদেশ, কোনো পক্ষকে খুশি করতে নয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ কোনো দেশ বা পক্ষকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়, বরং নিজেদের উড়োজাহাজ চলাচলের প্রয়োজন এবং ব্যবসায়িক যৌক্তিকতা বিবেচনা করেই নতুন বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার রাতে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো চুক্তি সম্পাদনের আগে সরকার সেটির ব্যবসায়িক যৌক্তিকতা এবং দেশের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনগত কর্তৃপক্ষের চুলচেরা বিশ্লেষণের পরই সরকার চুক্তির পথে এগিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এয়ারবাসের পাশাপাশি যদি প্রয়োজন মনে হয়, তবে বোয়িংয়ের সঙ্গেও ব্যবসা করতে বাংলাদেশের কোনো দ্বিধা নেই। দেশের স্বার্থে যেকোনো অর্থনৈতিক খাতে ব্যবসায়িকভাবে যৌক্তিক সুযোগ পাওয়া গেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

উড়োজাহাজকে কেবল যাত্রী পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে একে বৈদেশিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশের মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের সুযোগ পায়, রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হয় এবং বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটে। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়।

এয়ারবাসের সঙ্গে এই চুক্তিকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি ও যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। এই অংশীদারিত্ব শুধু উড়োজাহাজ কেনায় সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না থেকে বাংলাদেশ বহুমুখী ও নমনীয় পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজেদের প্রয়োজনে বিমান কিনছে বাংলাদেশ, কোনো পক্ষকে খুশি করতে নয়

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ কোনো দেশ বা পক্ষকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়, বরং নিজেদের উড়োজাহাজ চলাচলের প্রয়োজন এবং ব্যবসায়িক যৌক্তিকতা বিবেচনা করেই নতুন বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার রাতে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো চুক্তি সম্পাদনের আগে সরকার সেটির ব্যবসায়িক যৌক্তিকতা এবং দেশের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনগত কর্তৃপক্ষের চুলচেরা বিশ্লেষণের পরই সরকার চুক্তির পথে এগিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এয়ারবাসের পাশাপাশি যদি প্রয়োজন মনে হয়, তবে বোয়িংয়ের সঙ্গেও ব্যবসা করতে বাংলাদেশের কোনো দ্বিধা নেই। দেশের স্বার্থে যেকোনো অর্থনৈতিক খাতে ব্যবসায়িকভাবে যৌক্তিক সুযোগ পাওয়া গেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

উড়োজাহাজকে কেবল যাত্রী পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে একে বৈদেশিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশের মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের সুযোগ পায়, রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হয় এবং বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটে। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়।

এয়ারবাসের সঙ্গে এই চুক্তিকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি ও যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। এই অংশীদারিত্ব শুধু উড়োজাহাজ কেনায় সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না থেকে বাংলাদেশ বহুমুখী ও নমনীয় পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin