ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্রেক্সিট-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের ভূমিকা রাবিতে সাংবাদিকের ওপর হামলা: ৪ ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল সিরাজগঞ্জে সেপ্টেম্বর মাসের শ্রেষ্ঠ সম্মাননা পেলেন ২ পুলিশ কর্মকর্তা ৩০ বছর পর কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী খোকন স্মার্ট ডাকসেবার প্রত্যয়ে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডাক দিবস ইতালিতে বিতর্কিত নির্বাচনী সংস্কার পাস, বিরোধীদের ‘প্রতারণার’ অভিযোগ বাগেরহাটে শ্রেণিকক্ষ সংকট, বটগাছের নিচে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান আফগানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের, লাঞ্চের আগে সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৪ রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে দুই দফা হামলায় নিহত ৩ দুর্গাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ শামীম আহমেদ

নেত্রকোনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আদালতে আত্মসমর্পণ ৩ জনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চার যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত চার যুবক হলেন পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া, ফরিদ মিয়ার ছেলে ঝুটন মিয়া, লাল মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন এবং ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুর্গাপুর চৌকিতে অভিযুক্ত তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক নুরুল আলম ভূইয়া তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে আজিজুল ইসলাম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কিশোরী তার এক বান্ধবীর বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নাঈম মিয়ার বাড়িতে যান। বিয়ের কাজে সহযোগিতার পর রাত ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তাকে পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে যায়। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আজিজুল ইসলাম কিশোরীর মুখ চেপে ধরলে নাঈম যৌন নির্যাতন করেন। ঝুটন মিয়া তার কাপড় ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং রুহুল আমিন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ফোনটির আনুমানিক মূল্য ১২ হাজার টাকা।

ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় অভিযোগ করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী কিশোরী (১৭)। অভিযোগে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের নাঈম (২০), ঝুটন (২১), রুহুল আমিন (২৬)সহ একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তি ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম (১৯) বলে জানা গে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আদালতে আত্মসমর্পণ ৩ জনের

আপডেট সময় : ১২:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চার যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত চার যুবক হলেন পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া, ফরিদ মিয়ার ছেলে ঝুটন মিয়া, লাল মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন এবং ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুর্গাপুর চৌকিতে অভিযুক্ত তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক নুরুল আলম ভূইয়া তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে আজিজুল ইসলাম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কিশোরী তার এক বান্ধবীর বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নাঈম মিয়ার বাড়িতে যান। বিয়ের কাজে সহযোগিতার পর রাত ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তাকে পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে যায়। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আজিজুল ইসলাম কিশোরীর মুখ চেপে ধরলে নাঈম যৌন নির্যাতন করেন। ঝুটন মিয়া তার কাপড় ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং রুহুল আমিন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ফোনটির আনুমানিক মূল্য ১২ হাজার টাকা।

ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় অভিযোগ করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী কিশোরী (১৭)। অভিযোগে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের নাঈম (২০), ঝুটন (২১), রুহুল আমিন (২৬)সহ একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তি ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম (১৯) বলে জানা গে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh