ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বনাথে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি ইলিশ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ঢাকার রাস্তায় নারী চালকের মোটরসাইকেলে নারী যাত্রী, স্বস্তি দিচ্ছে ‘মায়া রাইড’ ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিতে মার্কিন বাহিনীকে পেন্টাগনের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় পদচ্যুত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার দুর্গাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা, ২৩ মণ্ডপে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হবে ঢাকা, প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: প্রথম রাতেই পটুয়াখালীতে তিনজনের কারাদণ্ড ফেসবুকে প্রেম ও মুঠোফোনে বিয়ে, পরে প্রবাসী জানলেন স্ত্রী আসলে তরুণ

গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম: গবেষণায় নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজগুলো স্থানীয়ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে 'এআই টপ অ্যাটম' নামে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, চারটি এআই টপ অ্যাটম ইউনিট একত্রে যুক্ত করে বড় পরিসরের এআই মডেল পরিচালনা এবং মেমোরি-নির্ভর বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো জটিল কাজগুলো করা সম্ভব।

এআই টপ অ্যাটম সাধারণ কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বিশাল ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি শক্তিশালী কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়। গিগাবাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি রয়েছে। ২০০ গিগাবিট ইথারনেট সংযোগের মাধ্যমে চারটি নোডকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, যা একক কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও জটিল কাজের সুযোগ তৈরি করে দেয়।

এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদাহরণ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে 'গ্রোম্যাক্স' সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়। উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য 'থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল' বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণটি এতে দেখানো হয়। সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর যেখানে মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে, সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের ৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২—এই তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তার মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্যই নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম: গবেষণায় নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজগুলো স্থানীয়ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে 'এআই টপ অ্যাটম' নামে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, চারটি এআই টপ অ্যাটম ইউনিট একত্রে যুক্ত করে বড় পরিসরের এআই মডেল পরিচালনা এবং মেমোরি-নির্ভর বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো জটিল কাজগুলো করা সম্ভব।

এআই টপ অ্যাটম সাধারণ কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বিশাল ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি শক্তিশালী কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়। গিগাবাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি রয়েছে। ২০০ গিগাবিট ইথারনেট সংযোগের মাধ্যমে চারটি নোডকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, যা একক কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও জটিল কাজের সুযোগ তৈরি করে দেয়।

এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদাহরণ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে 'গ্রোম্যাক্স' সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়। উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য 'থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল' বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণটি এতে দেখানো হয়। সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর যেখানে মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে, সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের ৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২—এই তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তার মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্যই নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din