যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত বৃটিশ বিমানঘাঁটির কাছে বাড়ি খালি করল পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত বৃটেনের একটি বিমানঘাঁটির কাছে কয়েকটি বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ। বিস্ফোরক সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দল ঘটনাস্থলে কয়েকটি যানবাহন পরীক্ষা করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় ধরনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের হুইলফোর্ড এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে কাছের একটি অবসরকেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
হুইলফোর্ড শহরটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছে অবস্থিত, যা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধে হামলা চালানোর সময় মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ঘাঁটির প্রধান ফটক সশস্ত্র পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে এবং প্রবেশপথগুলোতে বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ফেয়ারফোর্ড শহরে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের গাড়িসহ প্রায় ৩০টি জরুরি সেবার যানবাহন মোতায়েন করা হয়েছে। গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনাটি বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে। তবে গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট কারণ, বিস্ফোরক পাওয়ার বিষয়টি বা বিমানঘাঁটির সঙ্গে এই ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, তারা প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। মার্কিন বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, বৃটেনে অবস্থানরত ‘ফাইভ-জিরো-ওয়ানস্ট কমব্যাট সাপোর্ট উইং’ এবং অন্যান্য ইউনিট সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সামরিক সদস্য ও তাদের পরিবারের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। মার্চ মাসে তিনটি মার্কিন বি-১বি ল্যান্সার বোমারু বিমান আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে অবতরণ করেছিল। ধারণা করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম হামলা অভিযান এই ঘাঁটি থেকেই পরিচালিত হয়েছিল।
জুলাই মাসে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) সতর্ক করেছিল যে, ইরানে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত ঘাঁটিগুলোকে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। তবে রোববারের এই গ্রেপ্তারের সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না বা আরএএফ ফেয়ারফোর্ডকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।



























