হামাসের হামলার আগে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত
- আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস একটি বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ফোনালাপের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি এবং ইসরাইলের সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্যটি জানা গেছে। যদিও সতর্কবার্তায় হামাস রকেট হামলা চালাবে নাকি স্থলপথে ইসরাইলে প্রবেশ করবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে কথা বলা ইসরাইলের পাঁচজন সাবেক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার মাত্র ছয় দিন আগে ১লা অক্টোবর নেতানিয়াহু তার নিরাপত্তা প্রধানদের সঙ্গে যে বৈঠক করেছিলেন, সেখানে আমিরাতের এই সতর্কবার্তার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়নি। ওই বৈঠকের কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নেতানিয়াহু গাজায় পরিস্থিতি শান্ত রাখার ওপর জোর দিয়েছিলেন। এছাড়া, হামাসের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার যে পরামর্শ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দিয়েছিলেন, নেতানিয়াহু তার বিরোধিতা করেছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন আশঙ্কায় গাজায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকতে চেয়েছিলেন নেতানিয়াহু। সেই সময় তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ছিলেন বলে মনে করতেন। এর আগে ইসরাইলি সংবাদপত্র হারেৎজ ও বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ৭ই অক্টোবরের হামলার প্রায় ১০ দিন আগে বিন জায়েদ নেতানিয়াহুর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার এক সাবেক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাকে তাদের একটি 'ভয়াবহ' বা বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন। ওই ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বিষয়টি আমিরাতের এক উপদেষ্টাকে অবহিত করেন, যিনি পরবর্তীতে তা প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদকে জানান। এর পরপরই আমিরাতের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।





























