ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুশ-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১০, পুতিনের সঙ্গে রফার আহ্বান ট্রাম্পের নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাইকেল আরোহী আবু সাইদ নিহত ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের ঐতিহাসিক জয় রোনালদোর গ্যারেজে থাকা দুর্লভ বুগাত্তি ও তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শাহজালালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের মধ্যরাতে বিক্ষোভ বিশ্ব পর্যটন দিবস: ডিজিটাল ও এআই প্রযুক্তিতে সাজছে বাংলাদেশের পর্যটন বিশ্বমঞ্চে নজর কাড়ল চীনা ফার্স্টলেডি পং লিউয়ানের গ্ল্যামার ও সফট পাওয়ার হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট: ১০ হাজার কোটি রুপির সম্পদ নিয়ে শীর্ষে শাহরুখ সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজার, মুদ্রা ও নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নেপালে বন্যায় মৃত বেড়ে ১৪৫৩, নিখোঁজ এখনো প্রায় ৬ হাজার

ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যানের পর ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক বার্তার অপেক্ষায় ইরান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, চলমান যুদ্ধে ইরান মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে এবং সে কারণেই তারা দ্রুত এই চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং সেখান দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি তেহরানের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। ইরানের প্রস্তাবটি ছিল সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট একদিকে যেমন অনেক ভালো কথা বলেন, তেমনি আবার ঘন ঘন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যও দিয়ে থাকেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পরই ইরান তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আরাঘচি আরও জানান, গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার শর্ত মেনেই এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে দুই দেশের মধ্যকার চলমান এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান সব পক্ষকে খোলামেলা আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বর্তমানে মারাত্মক চাপের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন যদি আগের মতোই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেশটি থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তবে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই চাপের কার্যকারিতা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়তে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যানের পর ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক বার্তার অপেক্ষায় ইরান

আপডেট সময় : ০৯:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, চলমান যুদ্ধে ইরান মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে এবং সে কারণেই তারা দ্রুত এই চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং সেখান দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি তেহরানের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। ইরানের প্রস্তাবটি ছিল সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট একদিকে যেমন অনেক ভালো কথা বলেন, তেমনি আবার ঘন ঘন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যও দিয়ে থাকেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পরই ইরান তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আরাঘচি আরও জানান, গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার শর্ত মেনেই এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে দুই দেশের মধ্যকার চলমান এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান সব পক্ষকে খোলামেলা আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বর্তমানে মারাত্মক চাপের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন যদি আগের মতোই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেশটি থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তবে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই চাপের কার্যকারিতা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়তে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin