বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের সামনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল প্রশাসনের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ক্যাম্পাসের কোথাও যেন পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপাচার্য আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার নিজ নিজ এলাকা যেন এডিস মশার প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণ করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটসহ সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সময় এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. মাসুদ রানা, বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মো. হারুন-আল-রশীদ এবং শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট ড. এ. টি. এম জিন্নাতুল বাসার। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।



























