ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৬৬৬ কোটি টাকা করের রায় স্থগিত চেয়ে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের আপিল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'গ্রামীণ কল্যাণ'। হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চেম্বার আদালতে এই আবেদনটি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে এবং সোমবারই চেম্বার আদালতে এর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রায় দেন। ওই রায়ে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে। আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর পুনর্মূল্যায়নের পর এনবিআর এই কর দাবি করে। এর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করলে আদালত প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। তবে গত বৃহস্পতিবার নতুন হাইকোর্ট বেঞ্চ সেই রুল খারিজ করে দেন। এর ফলে গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এই আয়কর আদায়ে এনবিআরের জন্য আইনগত কোনো বাধা থাকে না।

এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায় সংক্রান্ত আগের রায়টি স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এরপর মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলে তিনি এটি নতুন বেঞ্চে পাঠান, যেখানে পুনরায় শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

৬৬৬ কোটি টাকা করের রায় স্থগিত চেয়ে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের আপিল

আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'গ্রামীণ কল্যাণ'। হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চেম্বার আদালতে এই আবেদনটি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে এবং সোমবারই চেম্বার আদালতে এর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রায় দেন। ওই রায়ে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে। আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর পুনর্মূল্যায়নের পর এনবিআর এই কর দাবি করে। এর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করলে আদালত প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। তবে গত বৃহস্পতিবার নতুন হাইকোর্ট বেঞ্চ সেই রুল খারিজ করে দেন। এর ফলে গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এই আয়কর আদায়ে এনবিআরের জন্য আইনগত কোনো বাধা থাকে না।

এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায় সংক্রান্ত আগের রায়টি স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এরপর মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলে তিনি এটি নতুন বেঞ্চে পাঠান, যেখানে পুনরায় শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh