প্রেসিডেন্ট নিজ জেলায় সফরে যাচ্ছেন আজ
- আপডেট সময় : ০২:৩৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফরে আজ নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুইদিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় সাজ সাজ রব ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রেসিডেন্টকে বরণ করে নিতে ঠাকুরগাঁও শহরকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে; শহরের সড়ক, ডিভাইডার ও বিভিন্ন স্থাপনায় লেগেছে রঙের ছোঁয়া। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষে শহর এখন সেজেছে দৃষ্টিনন্দন সাজে।
সফরের প্রথম দিন আজ প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন এবং নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সফরের দ্বিতীয় দিন আগামীকাল তিনি ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল হোসেন বলেন, প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাদের জেলার সন্তান। তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে আসছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সফর নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে তারা নতুন প্রত্যাশা করছেন।
নাগরিক সংবর্ধনা সফল করতে দিনরাত কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুহাম্মদ আবু খয়রুল কবির জানান, দল-মত নির্বিশেষে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে তারা আশা করছেন। প্রেসিডেন্টের সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে পুরো জেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের অনুষ্ঠানস্থল, যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে। গত ২০শে আগস্ট সংসদ সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, প্রেসিডেন্ট ৬ ও ৭ই সেপ্টেম্বরের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদারের কাজ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্টের অনুষ্ঠানস্থল, যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে।



























