ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

সিলেটে র‌্যাব সদস্যকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনায় মামলা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের শাহপরান বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনরত এক র‌্যাব সদস্যকে অপহরণ ও মারধরের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত সিলেট ছাত্রদলের নেতা ও স্থানীয় ট্যাটো বাহিনীর প্রধান ‘ট্যাটো’ সুমন। হামলার শিকার র‌্যাব সদস্য আবুল কাশেমের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ট্যাটো সুমনসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বুধবার ভোররাতে বটেশ্বর এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে র‌্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ট্যাটো সুমন ও তার সহযোগীরা। একপর্যায়ে তারা র‌্যাব সদস্য আবুল কাশেমকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় এবং মারধর করে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হরিপুর বাজারের পশুর হাট এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ঘটনার সময় ট্যাটো সুমন ও তার বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনার আগে দাসপাড়া বাইপাস এলাকায় চোরাচালানের পণ্য আটক নিয়ে র‌্যাব সদস্যদের সঙ্গে ট্যাটো সুমন বাহিনীর বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকেই উত্তেজনার সূত্রপাত। হরিপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বুধবার সকাল ১০টার দিকে মাইকিং করে অপরাধীদের আটকের জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কাশেমকে ফেলে দেওয়ার পর হামলাকারীরা লামা শ্যামপুর গ্রামের ফখরুলের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে তারা পালিয়ে গেলেও সাদ্দাম নামে এক সহযোগীকে আটক করা হয়।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সরকারি কাজে বাধা দান ও হামলার ঘটনায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর সাজ্জাদুর রহমান জানান, সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন—ওয়েস আহমদ, সুয়েব আহমদ, শাহাবউদ্দিন সাদ্দাম, ফয়েজ আহমদ, আফাজুর রহমান আফাজ, ফখরুল ইসলাম, সুলতান আহমদ, মো. রায়হান আহমদ ও বারেক আহমদ। স্থানীয়রা জানান, ট্যাটো সুমন ও শিবগঞ্জের ফরহাদ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তারা নিয়মিত চাঁদা আদায় ও চোরাচালানের গাড়ি নিরাপদে পারাপারে সিন্ডিকেট পরিচালনা করে থাকে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেটে র‌্যাব সদস্যকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনায় মামলা

আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের শাহপরান বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনরত এক র‌্যাব সদস্যকে অপহরণ ও মারধরের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত সিলেট ছাত্রদলের নেতা ও স্থানীয় ট্যাটো বাহিনীর প্রধান ‘ট্যাটো’ সুমন। হামলার শিকার র‌্যাব সদস্য আবুল কাশেমের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ট্যাটো সুমনসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বুধবার ভোররাতে বটেশ্বর এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে র‌্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ট্যাটো সুমন ও তার সহযোগীরা। একপর্যায়ে তারা র‌্যাব সদস্য আবুল কাশেমকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় এবং মারধর করে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হরিপুর বাজারের পশুর হাট এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ঘটনার সময় ট্যাটো সুমন ও তার বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনার আগে দাসপাড়া বাইপাস এলাকায় চোরাচালানের পণ্য আটক নিয়ে র‌্যাব সদস্যদের সঙ্গে ট্যাটো সুমন বাহিনীর বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকেই উত্তেজনার সূত্রপাত। হরিপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বুধবার সকাল ১০টার দিকে মাইকিং করে অপরাধীদের আটকের জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কাশেমকে ফেলে দেওয়ার পর হামলাকারীরা লামা শ্যামপুর গ্রামের ফখরুলের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে তারা পালিয়ে গেলেও সাদ্দাম নামে এক সহযোগীকে আটক করা হয়।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সরকারি কাজে বাধা দান ও হামলার ঘটনায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর সাজ্জাদুর রহমান জানান, সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন—ওয়েস আহমদ, সুয়েব আহমদ, শাহাবউদ্দিন সাদ্দাম, ফয়েজ আহমদ, আফাজুর রহমান আফাজ, ফখরুল ইসলাম, সুলতান আহমদ, মো. রায়হান আহমদ ও বারেক আহমদ। স্থানীয়রা জানান, ট্যাটো সুমন ও শিবগঞ্জের ফরহাদ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তারা নিয়মিত চাঁদা আদায় ও চোরাচালানের গাড়ি নিরাপদে পারাপারে সিন্ডিকেট পরিচালনা করে থাকে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin