পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া
- আপডেট সময় : ১২:৩০:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই ঘটনায় সুমাইয়ার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া এই কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকা এবং তা থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন ডিবি পুলিশের নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এমনকি ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ বিক্রির বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছিল।
প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করার পর ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস এলাকা থেকে তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া এই কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং সেখান থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণ করতেন। এই ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও চক্রের পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।




























