ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রেসিডেন্ট হওয়ার কথা কখনো ভাবিনি: মির্জা ফখরুল জালালাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির পর্ষদে নতুন পরিচালক কারাগারের নিরাপত্তায় এআই সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা যুক্ত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ জেল’-এর নাম বদলে হচ্ছে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’ দ্বিতীয় টেস্টের দলে রদবদল, অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাট রেনশ হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা পুনর্গঠন নয়: কুশনার যুক্তরাজ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিশ্বনাথের যুবক মাছুম আহমদ নিহত ছাতকে ২০ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার এডিনবরা বই উৎসব ২০২৬: চিন্তার পরিবর্তনের নতুন প্ল্যাটফর্ম যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জে প্রায় ১১ বছর আগের চাঞ্চল্যকর শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহান শাহ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিহতের স্ত্রী তিথি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও নিহতের স্ত্রীর ভাই পিয়াস হোসেনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে। রায় ঘোষণার পর নিহতের স্বজনরা অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। তাদের দাবি, সুজনকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হলেও আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে তার নিজের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে পুত্রবধূ তিথি ও তার ভাই পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তিথি, পিয়াস, মনিরুল ও রাশেদুলকে গ্রেফতার করে। পরে তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে সার্থক করতে তারা ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জে প্রায় ১১ বছর আগের চাঞ্চল্যকর শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহান শাহ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিহতের স্ত্রী তিথি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও নিহতের স্ত্রীর ভাই পিয়াস হোসেনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে। রায় ঘোষণার পর নিহতের স্বজনরা অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। তাদের দাবি, সুজনকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হলেও আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে তার নিজের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে পুত্রবধূ তিথি ও তার ভাই পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তিথি, পিয়াস, মনিরুল ও রাশেদুলকে গ্রেফতার করে। পরে তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে সার্থক করতে তারা ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin