ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষক মিজানের অভাবনীয় সাফল্য সেন্টমার্টিন উপকূলে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন জব্দ দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ১৯৩৫ রোগী বিশ্ব অক্টোপাস দিবস আজ: রহস্যময় এই প্রাণীর বিস্ময়কর সব তথ্য মানবিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে সুনির্দিষ্ট সংস্কারের তাগিদ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন কানাডীয় লেখিকা অ্যান কারসন কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ববাদী না হয়ে সেবক হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও বাস ভাঙচুর, যান চলাচল স্বাভাবিক দৌলতখানের ৭৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিরাজগঞ্জে প্রায় ১১ বছর আগের চাঞ্চল্যকর শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহান শাহ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিহতের স্ত্রী তিথি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও নিহতের স্ত্রীর ভাই পিয়াস হোসেনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে। রায় ঘোষণার পর নিহতের স্বজনরা অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। তাদের দাবি, সুজনকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হলেও আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে তার নিজের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে পুত্রবধূ তিথি ও তার ভাই পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তিথি, পিয়াস, মনিরুল ও রাশেদুলকে গ্রেফতার করে। পরে তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে সার্থক করতে তারা ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জে প্রায় ১১ বছর আগের চাঞ্চল্যকর শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহান শাহ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিহতের স্ত্রী তিথি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও নিহতের স্ত্রীর ভাই পিয়াস হোসেনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে। রায় ঘোষণার পর নিহতের স্বজনরা অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। তাদের দাবি, সুজনকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হলেও আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে তার নিজের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে পুত্রবধূ তিথি ও তার ভাই পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তিথি, পিয়াস, মনিরুল ও রাশেদুলকে গ্রেফতার করে। পরে তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে সার্থক করতে তারা ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin