ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রেসিডেন্ট হওয়ার কথা কখনো ভাবিনি: মির্জা ফখরুল জালালাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির পর্ষদে নতুন পরিচালক কারাগারের নিরাপত্তায় এআই সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা যুক্ত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ জেল’-এর নাম বদলে হচ্ছে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’ দ্বিতীয় টেস্টের দলে রদবদল, অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেন ম্যাট রেনশ হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা পুনর্গঠন নয়: কুশনার যুক্তরাজ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিশ্বনাথের যুবক মাছুম আহমদ নিহত ছাতকে ২০ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার এডিনবরা বই উৎসব ২০২৬: চিন্তার পরিবর্তনের নতুন প্ল্যাটফর্ম যুবদল নেতা সুজন হত্যা: সিরাজগঞ্জে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এডিনবরা বই উৎসব ২০২৬: চিন্তার পরিবর্তনের নতুন প্ল্যাটফর্ম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি বই হাতে নেওয়ার মুহূর্তটি কেবল পাঠের শুরু নয়, এটি অন্য একজনের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ভিন্ন দেশের ইতিহাস জানা এবং নিজের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসকে নতুন করে যাচাই করার সুযোগ। এই কথোপকথনের সংস্কৃতিকে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এক বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাচ্ছে এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল। বর্তমানে এটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লেখক, কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও গবেষকদের মিলনমেলা হিসেবে স্বীকৃত।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরুর সময় এটি ছিল যুক্তরাজ্যের মাত্র তৃতীয় সাহিত্য উৎসব। প্রথম বছর প্রায় ৩০ হাজার দর্শক ১২০ জন লেখকের সাহিত্যকর্ম উপভোগ করেছিলেন, যেখানে জন আপডাইক, পি ডি জেমস ও মেলভিন ব্র্যাগের মতো খ্যাতিমান লেখকরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবটি দীর্ঘ সময় এডিনবরার চার্লট স্কয়ার গার্ডেনসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও, ২০২৪ সাল থেকে এটি এডিনবার্গ ফিউচারস ইনস্টিটিউটে (ইএফআই) স্থানান্তরিত হয়েছে। পুরোনো রয়্যাল ইনফার্মারি হাসপাতালের ভবনে অবস্থিত এই ভেন্যুটি স্থাপত্য ও আধুনিক ব্যবহারের এক অনন্য সমন্বয়।

২০২৬ সালের উৎসবের মূল ভাবনা হলো ‘চেইন্জিং ইউর মাইন্ড’ বা চিন্তা বদলানো। আয়োজকদের লক্ষ্য হলো বর্তমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের সময়ে মানুষের মধ্যে যুক্তিনির্ভর গভীর শ্রবণ ও চিন্তার পরিসর তৈরি করা। এবারের আয়োজনে ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস, প্রযুক্তি লেখক কোরি ডক্টরো এবং লেখক মাইকেল পোলানসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নিচ্ছেন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন জন গ্রিশাম ও ইয়ান র‌্যাঙ্কিনের যৌথ মঞ্চায়ন। এছাড়া ম্যাগি ও'ফ্যারেল, অ্যান প্যাচেট, আলি স্মিথ, কলম টয়বিন, ম্যাট হেইগ, লুইস ওয়েলশ, বেন লার্নার এবং ইন্টারন্যাশনাল বুকারজয়ী ইয়াং শুয়াং-জি-ও উৎসবে অংশ নিচ্ছেন।

উৎসবটি শুধু বড় লেখকদের মঞ্চ নয়, বরং সাহিত্যকে জনজীবনের যুদ্ধ, রাজনীতি, অভিবাসন, জলবায়ু, প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। এর আর্কাইভে সালমান রুশদির মতো লেখকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র রয়েছে। এছাড়া স্কটিশ সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক লেখকদের মধ্যে চিন্তার আদান-প্রদানে উৎসবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৬ সালের কর্মসূচি ঘোষণার সময় স্কটিশ সরকারও এই অবদানের কথা স্বীকার করেছিল।

উৎসবের ব্যাপ্তি এখন এডিনবরার গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাইট ভিজিট এবং ৭৬ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রির পাশাপাশি, ১২টি স্কটিশ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ৪০টির বেশি লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল। অনলাইনে ৬৩টি দেশের প্রায় ২০ হাজার দর্শক উৎসবে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখেছেন। এছাড়া ‘স্টোরি ন্যাশন’ ও ‘পেপার ট্রায়েলস’ প্রকল্পের মাধ্যমে হাসপাতাল, কারাগার ও স্কুলসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই ও সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। ৪,৭০২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ৭৭টি স্কুল থেকে উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রত্যেকে একটি করে বিনা মূল্যের বই পেয়েছেন।

২০২৬ সালে ‘গ্রেফ্রায়ার্স কার্ক’ নতুন ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে, যেখানে ‘স্কটল্যান্ড টু দ্য ওয়াল্ড’ নামে নতুন ধারায় স্কটিশ লেখকদের আন্তর্জাতিক শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটানো হচ্ছে। এবারের আয়োজনে কবিতাও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যেখানে সাইমন আরমিটেজ, হানান ইসা ও পিটার ম্যাকে জাতীয় কবিসত্তা ও শিল্পের সামাজিক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের গুরুত্ব নিয়ে গভীর আলোচনা হচ্ছে, যেখানে টিম উ, সারা উইন-উইলিয়ামস ও স্টিভ ক্রসানের মতো বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে উৎসবটি শুধু গল্প বলার জায়গা নয়, বরং তথ্য যাচাই ও চিন্তার নতুন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে।

উৎসবের আর্কাইভে সালমান রুশদির মতো লেখকের অনুষ্ঠানও রয়েছে। ২০১৩ সালের এক অনুষ্ঠানে রুশদি তার লেখকজীবন, ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ প্রকাশের পরের অভিজ্ঞতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছিলেন।

২০২৫ সালের আয়োজনের ব্যাপ্তির দিকে তাকালে দেখা যায়— সে বছর উৎসবে ৬৭৩টি অনুষ্ঠান হয়েছিল, অংশ নিয়েছিলেন ৬৮২ জন লেখক ও চিত্রকর। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাইট ভিজিট হয়েছিল এবং ৭৬ হাজারের বেশি টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। ৪,৭০২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ৭৭টি স্কুল থেকে উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রত্যেকে একটি করে বিনা মূল্যের বই পেয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

এডিনবরা বই উৎসব ২০২৬: চিন্তার পরিবর্তনের নতুন প্ল্যাটফর্ম

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

একটি বই হাতে নেওয়ার মুহূর্তটি কেবল পাঠের শুরু নয়, এটি অন্য একজনের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ভিন্ন দেশের ইতিহাস জানা এবং নিজের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসকে নতুন করে যাচাই করার সুযোগ। এই কথোপকথনের সংস্কৃতিকে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এক বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাচ্ছে এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল। বর্তমানে এটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লেখক, কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও গবেষকদের মিলনমেলা হিসেবে স্বীকৃত।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরুর সময় এটি ছিল যুক্তরাজ্যের মাত্র তৃতীয় সাহিত্য উৎসব। প্রথম বছর প্রায় ৩০ হাজার দর্শক ১২০ জন লেখকের সাহিত্যকর্ম উপভোগ করেছিলেন, যেখানে জন আপডাইক, পি ডি জেমস ও মেলভিন ব্র্যাগের মতো খ্যাতিমান লেখকরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবটি দীর্ঘ সময় এডিনবরার চার্লট স্কয়ার গার্ডেনসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও, ২০২৪ সাল থেকে এটি এডিনবার্গ ফিউচারস ইনস্টিটিউটে (ইএফআই) স্থানান্তরিত হয়েছে। পুরোনো রয়্যাল ইনফার্মারি হাসপাতালের ভবনে অবস্থিত এই ভেন্যুটি স্থাপত্য ও আধুনিক ব্যবহারের এক অনন্য সমন্বয়।

২০২৬ সালের উৎসবের মূল ভাবনা হলো ‘চেইন্জিং ইউর মাইন্ড’ বা চিন্তা বদলানো। আয়োজকদের লক্ষ্য হলো বর্তমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের সময়ে মানুষের মধ্যে যুক্তিনির্ভর গভীর শ্রবণ ও চিন্তার পরিসর তৈরি করা। এবারের আয়োজনে ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস, প্রযুক্তি লেখক কোরি ডক্টরো এবং লেখক মাইকেল পোলানসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নিচ্ছেন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন জন গ্রিশাম ও ইয়ান র‌্যাঙ্কিনের যৌথ মঞ্চায়ন। এছাড়া ম্যাগি ও'ফ্যারেল, অ্যান প্যাচেট, আলি স্মিথ, কলম টয়বিন, ম্যাট হেইগ, লুইস ওয়েলশ, বেন লার্নার এবং ইন্টারন্যাশনাল বুকারজয়ী ইয়াং শুয়াং-জি-ও উৎসবে অংশ নিচ্ছেন।

উৎসবটি শুধু বড় লেখকদের মঞ্চ নয়, বরং সাহিত্যকে জনজীবনের যুদ্ধ, রাজনীতি, অভিবাসন, জলবায়ু, প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। এর আর্কাইভে সালমান রুশদির মতো লেখকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র রয়েছে। এছাড়া স্কটিশ সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক লেখকদের মধ্যে চিন্তার আদান-প্রদানে উৎসবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৬ সালের কর্মসূচি ঘোষণার সময় স্কটিশ সরকারও এই অবদানের কথা স্বীকার করেছিল।

উৎসবের ব্যাপ্তি এখন এডিনবরার গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাইট ভিজিট এবং ৭৬ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রির পাশাপাশি, ১২টি স্কটিশ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ৪০টির বেশি লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল। অনলাইনে ৬৩টি দেশের প্রায় ২০ হাজার দর্শক উৎসবে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখেছেন। এছাড়া ‘স্টোরি ন্যাশন’ ও ‘পেপার ট্রায়েলস’ প্রকল্পের মাধ্যমে হাসপাতাল, কারাগার ও স্কুলসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই ও সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। ৪,৭০২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ৭৭টি স্কুল থেকে উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রত্যেকে একটি করে বিনা মূল্যের বই পেয়েছেন।

২০২৬ সালে ‘গ্রেফ্রায়ার্স কার্ক’ নতুন ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে, যেখানে ‘স্কটল্যান্ড টু দ্য ওয়াল্ড’ নামে নতুন ধারায় স্কটিশ লেখকদের আন্তর্জাতিক শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটানো হচ্ছে। এবারের আয়োজনে কবিতাও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যেখানে সাইমন আরমিটেজ, হানান ইসা ও পিটার ম্যাকে জাতীয় কবিসত্তা ও শিল্পের সামাজিক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের গুরুত্ব নিয়ে গভীর আলোচনা হচ্ছে, যেখানে টিম উ, সারা উইন-উইলিয়ামস ও স্টিভ ক্রসানের মতো বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে উৎসবটি শুধু গল্প বলার জায়গা নয়, বরং তথ্য যাচাই ও চিন্তার নতুন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে।

উৎসবের আর্কাইভে সালমান রুশদির মতো লেখকের অনুষ্ঠানও রয়েছে। ২০১৩ সালের এক অনুষ্ঠানে রুশদি তার লেখকজীবন, ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ প্রকাশের পরের অভিজ্ঞতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছিলেন।

২০২৫ সালের আয়োজনের ব্যাপ্তির দিকে তাকালে দেখা যায়— সে বছর উৎসবে ৬৭৩টি অনুষ্ঠান হয়েছিল, অংশ নিয়েছিলেন ৬৮২ জন লেখক ও চিত্রকর। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার সাইট ভিজিট হয়েছিল এবং ৭৬ হাজারের বেশি টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। ৪,৭০২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ৭৭টি স্কুল থেকে উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রত্যেকে একটি করে বিনা মূল্যের বই পেয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin