ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণহানির ঝুঁকি ইসলামের দৃষ্টিতে কথা বলার আদব ও শিষ্টাচার গোপনে আবুধাবি সফরে নেতানিয়াহু, বৈঠক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় করতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম আশুলিয়ায় উচ্ছেদ অভিযানে আনসার-হকার সংঘর্ষ, আহত ৪ শরীয়তপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে তালা ভেঙে ল্যাপটপ ও ট্যাব চুরি এইচএসসি উত্তীর্ণদের শিক্ষাবৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন আজকের পর্দায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচসহ নেশন্স লিগের ফুটবল লড়াই কাশীয়ানীতে ১৯৮ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্প-শি বৈঠকে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রে আসবে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি

সদস্যদের ৪ কোটি টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি যুবধারা চেয়ারম্যানের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চাঁদপুরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সমবায় সমিতির সদস্যদের পাওনা প্রায় ৪ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুবধারার চেয়ারম্যান মো. জুলহাস মিয়া। বুধবার (৫ আগস্ট) হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সুযোগ চেয়ে এই ঘোষণা দেন। প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে জুলহাস মিয়া লিখিত বক্তব্যে পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জুলহাস মিয়া জানান, ২০২৩ সালে সমিতির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের কিস্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় সদস্যদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেয়। এর ফলে সঞ্চয় উত্তোলনের চাপ বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ গ্রহণকারী গ্রাহকরা কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এর আগেও তিনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের সঞ্চয়ের প্রায় ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে গ্রাহকদের সঞ্চয় বাবদ সমিতির প্রায় ৪ কোটি টাকা দায় থাকলেও, বিপরীতে সমিতির প্রায় ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। তবে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেই বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।

সদস্যদের উদ্দেশে জুলহাস মিয়া বলেন, “আমি আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে চাই। এজন্য সমিতির অফিসিয়াল কার্যক্রম চালু করতে হবে। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করতে পারলে ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা পরিশোধ করতে পারব। কারণ, আপনাদের সঞ্চয়ের তুলনায় আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় চার গুণ বেশি।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সদস্যদের ৪ কোটি টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি যুবধারা চেয়ারম্যানের

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

চাঁদপুরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সমবায় সমিতির সদস্যদের পাওনা প্রায় ৪ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুবধারার চেয়ারম্যান মো. জুলহাস মিয়া। বুধবার (৫ আগস্ট) হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সুযোগ চেয়ে এই ঘোষণা দেন। প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে জুলহাস মিয়া লিখিত বক্তব্যে পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জুলহাস মিয়া জানান, ২০২৩ সালে সমিতির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের কিস্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় সদস্যদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেয়। এর ফলে সঞ্চয় উত্তোলনের চাপ বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ গ্রহণকারী গ্রাহকরা কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এর আগেও তিনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের সঞ্চয়ের প্রায় ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে গ্রাহকদের সঞ্চয় বাবদ সমিতির প্রায় ৪ কোটি টাকা দায় থাকলেও, বিপরীতে সমিতির প্রায় ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। তবে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেই বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।

সদস্যদের উদ্দেশে জুলহাস মিয়া বলেন, “আমি আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে চাই। এজন্য সমিতির অফিসিয়াল কার্যক্রম চালু করতে হবে। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করতে পারলে ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা পরিশোধ করতে পারব। কারণ, আপনাদের সঞ্চয়ের তুলনায় আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় চার গুণ বেশি।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh