কোম্পানীগঞ্জে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১০, কার্যালয় ভাঙচুর

- আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় একটি বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত সিরাজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দিনার দোকান এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন, রিপন মিয়া, ফারুক এবং সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রশিবির সভাপতি ওসমান, সাধারণ সম্পাদক রিফাত, তামজিদ, মুজাহিদ ও শিহাবের নাম জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে সিরাজপুর পিএল একাডেমি মাঠে ছাত্রদলের এক কর্মীকে মারধর করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে মুজাহিদ। এই ঘটনার জেরে পরে ছাত্রদলের কর্মীরা শিবিরের এক কর্মীকে পাল্টা মারধর করেন বলে খবর ছড়ায়। এর জের ধরে রাত ১১টার দিকে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীরা স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফতাব আহমেদ বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিবিরের কর্মীরা আমাদের তিন-চারজন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে। আহতদের মধ্যে ফারুকের অবস্থা গুরুতর এবং তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেম জানান, পিএল একাডেমি স্কুলের দুই দল ছাত্রের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একটি সামান্য ঘটনা ঘটেছিল। এর জেরে বিএনপির লোকজন অতর্কিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তামজিদ, মুজাহিদ, শিহাব ও রিফাত আহত হন। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















