ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৪ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে আসছে জয় চৌধুরী ও মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ জনগণের সমর্থন পেলে সংসদে ১৬০ আসন পাবো: হাসনাত আব্দুল্লাহ ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা তারকা ও স্মরণীয় মুহূর্তের তালিকা প্রকাশ দলীয় প্রতীকে হবে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরল স্পেন, রাজকীয় সংবর্ধনার প্রস্তুতি বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো সাত অখ্যাত ফুটবল নায়কের গল্প ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তান সফরে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বগুড়ার প্রস্তাবিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: স্থান পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক জুলাইয়ের ১৯ দিনে ২৩ হাজার ৮৯৮ কোটি টাকার রেমিট্যান্স অর্জন

মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লেখালেখির জাদুকরী ভূমিকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

লেখালেখি করলেও যে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তা শুনতে অবাক লাগলেও এটি একটি প্রমাণিত সত্য। নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস মানুষের মনোযোগকে অন্তর্মুখী করে তোলে, যা মননশীলতাকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অনুভূতি, মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আত্মসচেতনতার বিভিন্ন কৌশল চর্চার ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং চিন্তাভাবনা ইতিবাচক থাকে। এছাড়া লেখালেখি অন্যকে গ্রহণ করার সামর্থ্য বাড়ায় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি এটি মেধা ও মননশীলতার বিকাশেও পথ সুগম করে।

নিজের আত্মসচেতনতা বাড়াতে তিন রকমের লিখন শৈলী অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, বর্ণনা ও অভিব্যক্তি মূলক লেখা, যেখানে কোনো দুঃখ, আঘাত বা কঠিন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া হয়। এটি বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেস উপশম করতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। দ্বিতীয়ত, চিন্তাশীল লেখা, যা অতীত অভিজ্ঞতার সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণমূলক। এই ধরনের লেখা আত্মসমালোচনা ও ব্যক্তিগত বিকাশে সাহায্য করে এবং শক্তিশালী সম্পর্ক নির্মাণে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ত, সৃজনশীল লেখা, যা নিজের ভাবনা, বিশ্বাস ও অনুভূতির পুনরুত্থান ঘটায়। জটিল ধারণা প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক শব্দ চয়ন এবং দৃশ্যপটের বর্ণনা আত্মমর্যাদা ও আত্মসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লেখালেখির জাদুকরী ভূমিকা

আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
print news

লেখালেখি করলেও যে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তা শুনতে অবাক লাগলেও এটি একটি প্রমাণিত সত্য। নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস মানুষের মনোযোগকে অন্তর্মুখী করে তোলে, যা মননশীলতাকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অনুভূতি, মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আত্মসচেতনতার বিভিন্ন কৌশল চর্চার ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং চিন্তাভাবনা ইতিবাচক থাকে। এছাড়া লেখালেখি অন্যকে গ্রহণ করার সামর্থ্য বাড়ায় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি এটি মেধা ও মননশীলতার বিকাশেও পথ সুগম করে।

নিজের আত্মসচেতনতা বাড়াতে তিন রকমের লিখন শৈলী অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, বর্ণনা ও অভিব্যক্তি মূলক লেখা, যেখানে কোনো দুঃখ, আঘাত বা কঠিন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া হয়। এটি বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেস উপশম করতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। দ্বিতীয়ত, চিন্তাশীল লেখা, যা অতীত অভিজ্ঞতার সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণমূলক। এই ধরনের লেখা আত্মসমালোচনা ও ব্যক্তিগত বিকাশে সাহায্য করে এবং শক্তিশালী সম্পর্ক নির্মাণে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ত, সৃজনশীল লেখা, যা নিজের ভাবনা, বিশ্বাস ও অনুভূতির পুনরুত্থান ঘটায়। জটিল ধারণা প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক শব্দ চয়ন এবং দৃশ্যপটের বর্ণনা আত্মমর্যাদা ও আত্মসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh