ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লেখালেখির জাদুকরী ভূমিকা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



লেখালেখি করলেও যে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তা শুনতে অবাক লাগলেও এটি একটি প্রমাণিত সত্য। নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস মানুষের মনোযোগকে অন্তর্মুখী করে তোলে, যা মননশীলতাকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অনুভূতি, মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আত্মসচেতনতার বিভিন্ন কৌশল চর্চার ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং চিন্তাভাবনা ইতিবাচক থাকে। এছাড়া লেখালেখি অন্যকে গ্রহণ করার সামর্থ্য বাড়ায় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি এটি মেধা ও মননশীলতার বিকাশেও পথ সুগম করে।

নিজের আত্মসচেতনতা বাড়াতে তিন রকমের লিখন শৈলী অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, বর্ণনা ও অভিব্যক্তি মূলক লেখা, যেখানে কোনো দুঃখ, আঘাত বা কঠিন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া হয়। এটি বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেস উপশম করতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। দ্বিতীয়ত, চিন্তাশীল লেখা, যা অতীত অভিজ্ঞতার সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণমূলক। এই ধরনের লেখা আত্মসমালোচনা ও ব্যক্তিগত বিকাশে সাহায্য করে এবং শক্তিশালী সম্পর্ক নির্মাণে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ত, সৃজনশীল লেখা, যা নিজের ভাবনা, বিশ্বাস ও অনুভূতির পুনরুত্থান ঘটায়। জটিল ধারণা প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক শব্দ চয়ন এবং দৃশ্যপটের বর্ণনা আত্মমর্যাদা ও আত্মসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লেখালেখির জাদুকরী ভূমিকা

আপডেট সময় : ১২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

লেখালেখি করলেও যে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তা শুনতে অবাক লাগলেও এটি একটি প্রমাণিত সত্য। নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস মানুষের মনোযোগকে অন্তর্মুখী করে তোলে, যা মননশীলতাকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অনুভূতি, মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আত্মসচেতনতার বিভিন্ন কৌশল চর্চার ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং চিন্তাভাবনা ইতিবাচক থাকে। এছাড়া লেখালেখি অন্যকে গ্রহণ করার সামর্থ্য বাড়ায় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি এটি মেধা ও মননশীলতার বিকাশেও পথ সুগম করে।

নিজের আত্মসচেতনতা বাড়াতে তিন রকমের লিখন শৈলী অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, বর্ণনা ও অভিব্যক্তি মূলক লেখা, যেখানে কোনো দুঃখ, আঘাত বা কঠিন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া হয়। এটি বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেস উপশম করতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। দ্বিতীয়ত, চিন্তাশীল লেখা, যা অতীত অভিজ্ঞতার সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণমূলক। এই ধরনের লেখা আত্মসমালোচনা ও ব্যক্তিগত বিকাশে সাহায্য করে এবং শক্তিশালী সম্পর্ক নির্মাণে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ত, সৃজনশীল লেখা, যা নিজের ভাবনা, বিশ্বাস ও অনুভূতির পুনরুত্থান ঘটায়। জটিল ধারণা প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক শব্দ চয়ন এবং দৃশ্যপটের বর্ণনা আত্মমর্যাদা ও আত্মসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh