অপরাধীদের শাস্তি দেয় সরকার, আস্কারা দিচ্ছে জামায়াত: সুজাউদ্দৌলা
- আপডেট সময় : ১২:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

সরকার যেখানে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী অপরাধীদের আস্কারা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)। শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই কর্মকর্তাকে মারধর এবং নির্বাহী পরিচালককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা এবং তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. Shahriar Alam Sajib (মো. শাহরিয়ার আলম সজিব) বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান, কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব সুজাউদ্দৌলা তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়ার ঘটনায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি মেজর আখতারুজ্জামানের নামও জড়িয়ে ছিল। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর মেজর আখতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। বিমানবন্দরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, মেজর আখতার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত তুলেছেন এবং নির্বাহী পরিচালককে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করে মারতে উদ্যত হয়েছেন। এই অপরাধের প্রেক্ষিতেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মেজর আখতার গ্রেপ্তারের পর জামায়াত নেতাদের ভূমিকার সমালোচনা করে সুজাউদ্দৌলা অভিযোগ করেন, দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব এই অপরাধীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে মেজর আখতার কোনো অপরাধ করেননি। এছাড়া দলটির পক্ষ থেকে এই গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা করে উপ-প্রেসসচিব আরও বলেন, কোনো অপরাধী বা দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি এই দলটির সঙ্গে যুক্ত হলেই যেন সব অপরাধ থেকে ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন। অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সংস্কৃতি ছিল বলে তিনি তার পোস্টে মন্তব্য করেন।

























