ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসুস্থ যুবদল নেতা অলির হার্ট সার্জারির দায়িত্ব নিলেন সজিব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, পদত্যাগের দাবি নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল সোহেলী হত্যা চেষ্টা মামলায় ফের গ্রেপ্তার সাবেক এমপি ছানোয়ার ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা বিতরণে নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ ১০০ বছর বয়সে মারা গেছেন মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহ দুদকের প্রেস ব্রিফিং ও মিডিয়া ট্রায়াল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আসিফ মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী বৈঠক ৫ কোটির কাজে ২ কোটি ঘুষ দাবি পিডিবি প্রকৌশলীর গাজীপুরে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মা ও শিশুকন্যা নিহত

গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, স্বাভাবিকের পথে ফিরছে পেট্রোবাংলা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রায় দুই মাস স্থিতিশীল থাকার পর বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে সাময়িক বিঘ্নিত হয়েছিল দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা। সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় পাইপলাইনে সরবরাহ কমে গিয়েছিল, যা গ্রাহকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর পুনরায় শুরু হয়েছে। এর ফলে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। গত বুধবারও ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তা কমে ২২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে, অর্থাৎ ঘাটতি দাঁড়ায় ৪০ কোটি ঘনফুটে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সরবরাহ বেড়ে ২৩৪ কোটি ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

দেশে মোট সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট ও দেশীয় কোম্পানি সামিটের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব। এলএনজি বহনকারী নতুন জাহাজ বন্দরে পৌঁছালেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে গতকাল তা টার্মিনালে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে সরবরাহের পরিমাণ ৫৯ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে তা প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট ছিল। আজ সকালে এই সরবরাহ বেড়ে ৭৩ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে এবং পেট্রোবাংলা জানিয়েছে যে এটি ধীরে ধীরে আরও বাড়ানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, স্বাভাবিকের পথে ফিরছে পেট্রোবাংলা

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রায় দুই মাস স্থিতিশীল থাকার পর বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে সাময়িক বিঘ্নিত হয়েছিল দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা। সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় পাইপলাইনে সরবরাহ কমে গিয়েছিল, যা গ্রাহকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর পুনরায় শুরু হয়েছে। এর ফলে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। গত বুধবারও ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তা কমে ২২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে, অর্থাৎ ঘাটতি দাঁড়ায় ৪০ কোটি ঘনফুটে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সরবরাহ বেড়ে ২৩৪ কোটি ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

দেশে মোট সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট ও দেশীয় কোম্পানি সামিটের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব। এলএনজি বহনকারী নতুন জাহাজ বন্দরে পৌঁছালেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে গতকাল তা টার্মিনালে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে সরবরাহের পরিমাণ ৫৯ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে তা প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট ছিল। আজ সকালে এই সরবরাহ বেড়ে ৭৩ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে এবং পেট্রোবাংলা জানিয়েছে যে এটি ধীরে ধীরে আরও বাড়ানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo