ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড

ফেনীর পরশুরামে ৪০ বছরেও সংস্কার হয়নি চন্দনা সড়ক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৩৪। ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দনা সড়কটি গত ৪০ বছরেও সংস্কারের মুখ দেখেনি। এলজিইডি আইডি নম্বর ৪৩০৪১৫২১১-এর এই দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরা, যার ফলে স্থানীয় প্রায় ২০০ পরিবারের ছয় শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে এলেও কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সড়কটির বেহাল দশার কারণে বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে এবং শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম বলেন, ৪০ বছর ধরে রাস্তাটির কোনো স্থায়ী উন্নয়ন হয়নি এবং বর্ষা এলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান তিনি। একই কথা বলেন আরেক বাসিন্দা মাইন উদ্দিন। তিনি জানান, কয়েকশ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে, যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি। বর্ষায় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে কাদামাটির পথ পাড়ি দিতে হয়।

চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কামাল হোসেন মুহুরী বলেন, সড়কটি পাকাকরণ করা হলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। অসুস্থ রোগী ও বয়স্কদের জরুরি যাতায়াত এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নেওয়ার ক্ষেত্রেও বর্তমানে বাড়তি সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।

চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমরান হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আইয়ুব জানান, সড়কটি পাকাকরণের জন্য কয়েকবার মাপজোখ করে এলজিইডির উপজেলা কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ইসলাম হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেনীর পরশুরামে ৪০ বছরেও সংস্কার হয়নি চন্দনা সড়ক

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৩৪। ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দনা সড়কটি গত ৪০ বছরেও সংস্কারের মুখ দেখেনি। এলজিইডি আইডি নম্বর ৪৩০৪১৫২১১-এর এই দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরা, যার ফলে স্থানীয় প্রায় ২০০ পরিবারের ছয় শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে এলেও কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সড়কটির বেহাল দশার কারণে বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে এবং শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম বলেন, ৪০ বছর ধরে রাস্তাটির কোনো স্থায়ী উন্নয়ন হয়নি এবং বর্ষা এলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান তিনি। একই কথা বলেন আরেক বাসিন্দা মাইন উদ্দিন। তিনি জানান, কয়েকশ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে, যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি। বর্ষায় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে কাদামাটির পথ পাড়ি দিতে হয়।

চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কামাল হোসেন মুহুরী বলেন, সড়কটি পাকাকরণ করা হলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। অসুস্থ রোগী ও বয়স্কদের জরুরি যাতায়াত এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নেওয়ার ক্ষেত্রেও বর্তমানে বাড়তি সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।

চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমরান হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আইয়ুব জানান, সড়কটি পাকাকরণের জন্য কয়েকবার মাপজোখ করে এলজিইডির উপজেলা কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ইসলাম হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh