ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে পটুয়াখালীতে সেরা দশমিনার আরিফ ট্রাম্পের হুমকিকে কৌশলগত হতাশা বলে আরও তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে, বাদ পড়ছেন আওয়ামীপন্থীরা সরকারি কলেজের ক্লাস রুটিন চেয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা জারি পাঁচ জেলায় ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত শতাধিক মানুষ জাতিসংঘে এরদোয়ানের শান্তির আহ্বানে বিশ্ব বিবেকের প্রতিধ্বনি: এমিনি পার্বতীপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ মাদক কারবারি পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর নতুন নিয়ম, দ্বিতীয়বার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান নারী রেফারিকে হেনস্তা ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক মন্তব্যে বরখাস্ত হিগুয়েইন

গাইবান্ধায় ৮৫ সার ডিলার পদের বিপরীতে ১১৭৬ আবেদন, তুঙ্গে প্রতিযোগিতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধা জেলায় সার ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের মাঝে অভূতপূর্ব সাড়া দেখা গেছে। জেলার সাতটি উপজেলায় মাত্র ৮৫টি শূন্য ডিলার ইউনিটের বিপরীতে মোট ১,১৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর অর্থ হলো, প্রতিটি ডিলারশিপের জন্য গড়ে প্রায় ১৪ জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এত বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ার ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়, যার সংখ্যা ২৫১টি। এরপরই রয়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলা, যেখানে ২৩১টি আবেদন পড়েছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলার মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১৮৩টি, সাদুল্লাপুরে ১৫৪টি, সাঘাটায় ১৩১টি, ফুলছড়িতে ১১৫টি এবং পলাশবাড়ী উপজেলায় ১১১টি আবেদন জমা পড়েছে।

কমপক্ষে ১৪ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ায় এখন যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এই সার ব্যবসার অর্থনৈতিক আকর্ষণ ও মুনাফার বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। একজন ডিলার বছরে ঠিক কী পরিমাণ সার বরাদ্দ পান, তা বিক্রি করে কত টাকা লেনদেন হয় এবং পরিবহন, গুদামজাতকরণ ও শ্রমিক খরচ বাদ দিয়ে প্রকৃত লাভ কত থাকে—তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে ডিলারশিপ পাওয়ার এই তীব্র প্রতিযোগিতা ব্যবসার বড় সম্ভাবনার দিকেই ইঙ্গিত করে।

এই পরিস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের যোগ্যতা, নির্ধারিত স্থানে নিজস্ব গুদাম ও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা এবং কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়ার বাস্তব দক্ষতা রয়েছে কি না, তা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, আবেদন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে সরকারি নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য ও সক্ষমতা যাচাইয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। সব নিয়ম মেনেই পরবর্তী চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

গাইবান্ধায় ৮৫ সার ডিলার পদের বিপরীতে ১১৭৬ আবেদন, তুঙ্গে প্রতিযোগিতা

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধা জেলায় সার ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের মাঝে অভূতপূর্ব সাড়া দেখা গেছে। জেলার সাতটি উপজেলায় মাত্র ৮৫টি শূন্য ডিলার ইউনিটের বিপরীতে মোট ১,১৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর অর্থ হলো, প্রতিটি ডিলারশিপের জন্য গড়ে প্রায় ১৪ জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এত বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ার ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়, যার সংখ্যা ২৫১টি। এরপরই রয়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলা, যেখানে ২৩১টি আবেদন পড়েছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলার মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১৮৩টি, সাদুল্লাপুরে ১৫৪টি, সাঘাটায় ১৩১টি, ফুলছড়িতে ১১৫টি এবং পলাশবাড়ী উপজেলায় ১১১টি আবেদন জমা পড়েছে।

কমপক্ষে ১৪ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ায় এখন যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এই সার ব্যবসার অর্থনৈতিক আকর্ষণ ও মুনাফার বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। একজন ডিলার বছরে ঠিক কী পরিমাণ সার বরাদ্দ পান, তা বিক্রি করে কত টাকা লেনদেন হয় এবং পরিবহন, গুদামজাতকরণ ও শ্রমিক খরচ বাদ দিয়ে প্রকৃত লাভ কত থাকে—তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে ডিলারশিপ পাওয়ার এই তীব্র প্রতিযোগিতা ব্যবসার বড় সম্ভাবনার দিকেই ইঙ্গিত করে।

এই পরিস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের যোগ্যতা, নির্ধারিত স্থানে নিজস্ব গুদাম ও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা এবং কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়ার বাস্তব দক্ষতা রয়েছে কি না, তা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, আবেদন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে সরকারি নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য ও সক্ষমতা যাচাইয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। সব নিয়ম মেনেই পরবর্তী চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh