ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করল ইসি বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্টের সঙ্গে থাকছে চ্যাম্পিয়নস লিগের জমজমাট লড়াই ঢাকা-দিল্লি বাণিজ্য আলোচনা: অমীমাংসিত রয়ে গেল পুরনো সব বাধা শরীয়তপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ১৫ জেলে আটক অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই: ‘বড় বোনকে হারালাম’ সুচন্দা সৌদিতে মৃত হানিফের মরদেহ ফেরাতে মায়ের আকুতি: ‘মোর মানিকেরে কোলে দাও’ সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ, ৪ দিনের রিমান্ডে দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে ৩০০ মৃত্যু: প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি সুশাসনের ঘাটতি, প্রশ্ন আইনজীবীর সুনামগঞ্জে এমপির ডিও লেটারে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সৌদি আরব কেন হুতিদের সামরিকভাবে পরাজিত করতে পারছে না

কুলিয়ারচরে হাতকড়াসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, ৭ স্বজন আটক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতা। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া ওই নেতার নাম রেনু মিয়া। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিকে এই ঘটনার পর রেনু মিয়ার সাত স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি রেনু মিয়া। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। বেশ কিছুদিন আড়ালে থাকার পর সম্প্রতি তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পাঁচ-ছয়জনের একটি দল তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরের ভেতর থেকে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরায় পুলিশ। এরপর তাঁকে বাড়ির উঠানে নিয়ে আসা হলে সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। তাঁরা রেনু মিয়াকে ঘিরে ধরেন এবং তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধ করতে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এই ভিড় ও হট্টগোলের সুযোগ নিয়ে রেনু মিয়া হাতকড়াসহ দৌড়ে পালিয়ে যান। পুলিশ তাঁর পিছু নিলেও মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির পেছনে গিয়ে তিনি আড়ালে চলে যান।

এই ঘটনার পর পুলিশ রেনু মিয়ার কয়েকজন নারী আত্মীয়সহ সাত স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁর একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটক ব্যক্তিরা থানাতেই ছিলেন।

কুলিয়ারচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং হাতকড়া উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে। আটক সাত স্বজনকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলে আটক স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রেনু মিয়া ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা হলেও উপজেলাজুড়ে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

কুলিয়ারচরে হাতকড়াসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, ৭ স্বজন আটক

আপডেট সময় : ০১:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতা। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া ওই নেতার নাম রেনু মিয়া। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিকে এই ঘটনার পর রেনু মিয়ার সাত স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি রেনু মিয়া। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। বেশ কিছুদিন আড়ালে থাকার পর সম্প্রতি তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পাঁচ-ছয়জনের একটি দল তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরের ভেতর থেকে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরায় পুলিশ। এরপর তাঁকে বাড়ির উঠানে নিয়ে আসা হলে সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। তাঁরা রেনু মিয়াকে ঘিরে ধরেন এবং তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধ করতে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এই ভিড় ও হট্টগোলের সুযোগ নিয়ে রেনু মিয়া হাতকড়াসহ দৌড়ে পালিয়ে যান। পুলিশ তাঁর পিছু নিলেও মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির পেছনে গিয়ে তিনি আড়ালে চলে যান।

এই ঘটনার পর পুলিশ রেনু মিয়ার কয়েকজন নারী আত্মীয়সহ সাত স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁর একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটক ব্যক্তিরা থানাতেই ছিলেন।

কুলিয়ারচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং হাতকড়া উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে। আটক সাত স্বজনকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলে আটক স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রেনু মিয়া ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা হলেও উপজেলাজুড়ে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo