ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে পটুয়াখালীতে সেরা দশমিনার আরিফ ট্রাম্পের হুমকিকে কৌশলগত হতাশা বলে আরও তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে, বাদ পড়ছেন আওয়ামীপন্থীরা সরকারি কলেজের ক্লাস রুটিন চেয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা জারি পাঁচ জেলায় ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত শতাধিক মানুষ জাতিসংঘে এরদোয়ানের শান্তির আহ্বানে বিশ্ব বিবেকের প্রতিধ্বনি: এমিনি পার্বতীপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ মাদক কারবারি পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর নতুন নিয়ম, দ্বিতীয়বার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান নারী রেফারিকে হেনস্তা ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক মন্তব্যে বরখাস্ত হিগুয়েইন

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ফিতা কেটে এই সেতু দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরপরই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। দুই লেনের এই সেতুগুলোতে কোনো টোল দিতে হবে না এবং সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সুযোগ রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, একসময় প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়লেও সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এর গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি প্রকল্পের কাজের মান এবং বাস্তবায়নের বর্তমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, গত সাড়ে তিন বছরে প্রকল্পের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি চালু হলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল এবং ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। এটি উত্তরবঙ্গসহ ৩০টি জেলার প্রায় চার কোটির বেশি মানুষের যাতায়াত সহজ করবে এবং পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের প্রধান ভৌত কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক, ৪ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ এবং ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু। ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

আশুলিয়া বাজার ও ধউর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। এতে অন্যান্যের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, স্থানীয় সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সভাপতি চি উয়ে এবং প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ ও দ্রুত হওয়ার পাশাপাশি যানজট কমাতেও এটি ভূমিকা রাখবে।.প্রকল্পের প্রধান ভৌত উপাদানের মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক, ৪ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ এবং মোট ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু।.প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।

.প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।.আজ সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়া বাজার ও ধউর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে প্রকল্পটির একটি সেতুর অংশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ফিতা কেটে এই সেতু দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরপরই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। দুই লেনের এই সেতুগুলোতে কোনো টোল দিতে হবে না এবং সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সুযোগ রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, একসময় প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়লেও সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এর গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি প্রকল্পের কাজের মান এবং বাস্তবায়নের বর্তমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, গত সাড়ে তিন বছরে প্রকল্পের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি চালু হলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল এবং ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। এটি উত্তরবঙ্গসহ ৩০টি জেলার প্রায় চার কোটির বেশি মানুষের যাতায়াত সহজ করবে এবং পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের প্রধান ভৌত কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক, ৪ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ এবং ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু। ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

আশুলিয়া বাজার ও ধউর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। এতে অন্যান্যের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, স্থানীয় সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সভাপতি চি উয়ে এবং প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ ও দ্রুত হওয়ার পাশাপাশি যানজট কমাতেও এটি ভূমিকা রাখবে।.প্রকল্পের প্রধান ভৌত উপাদানের মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক, ৪ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ এবং মোট ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু।.প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।

.প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।.আজ সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়া বাজার ও ধউর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে প্রকল্পটির একটি সেতুর অংশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo