ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারার অভিযোগ বাগেরহাটে শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট অর্থকষ্টে দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন অঞ্জলি আনন্দ, যেভাবে ফিরলেন বড় পর্দায় জায়েদের সহায়তার টাকা কেন নিলেন না অভিনেতা রিফাত চৌধুরী হরমুজ প্রণালিতে ইরান বাড়াবাড়ি করছে: সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা মোহাম্মদপুরে পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই তাণ্ডব চালিয়ে জমি দখল কোটালীপাড়ায় উপজেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপি জিলানীর উন্নয়ন আলোচনা রাজনীতিতে যতিচিহ্ন নেই, কী ভবিষ্যৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাস চাপায় দুই কিশোর নিহত

ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে গ্রিডে বিদ্যুৎ দিলে মিলবে বিশেষ প্রণোদনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার উৎসাহিত করতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রজ্ঞাপন ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায়, গ্রাহকরা তাদের ছাদে ব্যাটারিসহ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থ পাবেন।

এই প্রণোদনা পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটের সর্বোচ্চ ব্যয় ৮ টাকা ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করে মোট মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, যেসব গ্রাহক আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই প্রণোদনা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যার অর্থ হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত সিস্টেম থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের জন্য গ্রাহকরা তিন বছর পর্যন্ত এই হারে অর্থ পাবেন। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পরে যারা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা এই বিশেষ প্রণোদনার আওতাভুক্ত হবেন না।

সরকারের এই উদ্যোগের ফলে বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার ছাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। এতে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে গ্রাহকের গ্রিডনির্ভরতা কমবে এবং জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। যদি কোনো গ্রাহক সরকার নির্ধারিত ৮ টাকা ইউনিট ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে সক্ষম হন, তবে সাশ্রয় হওয়া অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য হবে।

প্রণোদনা পাওয়ার শর্ত হিসেবে সৌর প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার ও মিটারসহ ব্যবহৃত সকল যন্ত্রপাতিকে বিএসটিআই ও টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসআরইডিএ) নির্ধারিত কারিগরি মান পূরণ করতে হবে। প্রণোদনার অর্থ সরাসরি নগদে দেওয়া হবে না। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকের উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের তথ্য সংরক্ষণ করবে এবং নির্ধারিত অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত সহায়তার জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিতরণ সংস্থার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে গ্রিডে বিদ্যুৎ দিলে মিলবে বিশেষ প্রণোদনা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার উৎসাহিত করতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রজ্ঞাপন ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায়, গ্রাহকরা তাদের ছাদে ব্যাটারিসহ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থ পাবেন।

এই প্রণোদনা পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটের সর্বোচ্চ ব্যয় ৮ টাকা ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করে মোট মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, যেসব গ্রাহক আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই প্রণোদনা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যার অর্থ হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত সিস্টেম থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের জন্য গ্রাহকরা তিন বছর পর্যন্ত এই হারে অর্থ পাবেন। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পরে যারা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা এই বিশেষ প্রণোদনার আওতাভুক্ত হবেন না।

সরকারের এই উদ্যোগের ফলে বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার ছাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। এতে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে গ্রাহকের গ্রিডনির্ভরতা কমবে এবং জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। যদি কোনো গ্রাহক সরকার নির্ধারিত ৮ টাকা ইউনিট ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে সক্ষম হন, তবে সাশ্রয় হওয়া অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য হবে।

প্রণোদনা পাওয়ার শর্ত হিসেবে সৌর প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার ও মিটারসহ ব্যবহৃত সকল যন্ত্রপাতিকে বিএসটিআই ও টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসআরইডিএ) নির্ধারিত কারিগরি মান পূরণ করতে হবে। প্রণোদনার অর্থ সরাসরি নগদে দেওয়া হবে না। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকের উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের তথ্য সংরক্ষণ করবে এবং নির্ধারিত অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত সহায়তার জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিতরণ সংস্থার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh