ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারওয়ান বাজারে শুরু হলো প্রথম আলো বন্ধুসভার ‘লেখক বন্ধু উৎসব’ সিলেটে হাম ও উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নেপাল সীমান্তে হিমালয় কন্যার বুকে প্রলয়ংকরী জলবোমার আঘাত সিরাজগঞ্জের হাড়ের গুঁড়ো এখন ওষুধ শিল্পের বড় চাহিদা মেটাচ্ছে অর্থনৈতিক চাপে ‘ভূমিকম্পের মতো’ পাল্টা আঘাতের হুমকি ইরানের ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জামায়াত ১৬ বছর আ.লীগের ভেতরে লুকিয়ে ছিল: রাশেদ খাঁন নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারি ইরানি জেনারেলের মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা: চীন-ভারতের নতুন ভূরাজনৈতিক রণক্ষেত্র সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের ইতিবাচক আগ্রহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে ঢাকা। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এ ধরনের উদ্যোগের সম্ভাবনা যাচাই করবে। যেকোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থই প্রধান বিবেচ্য হবে। ঢাকা বর্তমানে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতির আওতায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। তাই কোনো আন্তর্জাতিক জোট বা সহযোগিতামূলক কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, দেশ দুটির সম্পর্ক ধীরে ধীরে জোরদার হচ্ছে। স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই সৌদি আরব সফর করবেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই সফরের মাধ্যমে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অন্যতম মূল বিষয় হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তির আওতায় তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের ইতিবাচক আগ্রহ

আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে ঢাকা। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এ ধরনের উদ্যোগের সম্ভাবনা যাচাই করবে। যেকোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থই প্রধান বিবেচ্য হবে। ঢাকা বর্তমানে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতির আওতায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। তাই কোনো আন্তর্জাতিক জোট বা সহযোগিতামূলক কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, দেশ দুটির সম্পর্ক ধীরে ধীরে জোরদার হচ্ছে। স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই সৌদি আরব সফর করবেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই সফরের মাধ্যমে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অন্যতম মূল বিষয় হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তির আওতায় তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin