ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, জানালেন কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু আজ বাসযাত্রায় তুলনামূলক নিরাপদ যে সারির আসন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি: বিশ্বকবির স্মৃতিধন্য আঙিনায় এক ভ্রমণ রাঙামাটিতে কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪১৫ জন আটক মঞ্চে সহ-অভিনেতার বুকে মাথা রাখার দৃশ্যে ইরানে নাট্যদলের বিরুদ্ধে মামলা কোহলির রেকর্ড গড়া ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের দাপুটে জয় রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে নরওয়ের মাঠে জয় পেল পর্তুগাল দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণহানির ঝুঁকি

কৃষিপণ্যে আমদানি নির্ভরতা শূন্যে নামাতে চায় সরকার: কৃষিমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে কৃষিপণ্যের আমদানি নির্ভরতা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে। গতকাল কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সার পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই, বরং চাহিদার চেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার মজুদের পরিমাণও বেশি। সারের কৃত্রিম সংকটের কথা বলে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তারা মূলত একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এটি করছে। এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রতি মাসে পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যে পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৪ লাখ কৃষকের একটি তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গত ছয় মাসে ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যের বিপরীতে ২৪ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৭৫ দশমিক ৬১ কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে।

পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। আগে সংরক্ষণের অভাবে পেঁয়াজ নষ্ট হলেও বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তা ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে ৩ লাখ টন পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তিনি আরও জানান, পেঁয়াজবীজ, পাটবীজ ও আদার ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা কমাতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে ‘ব্রি ১১৮’ নামের একটি নতুন জাতের ধানের চাষ শুরু হবে। এই জাতটি হাওর অঞ্চলে প্রচলিত সময়ের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই রোপণ করা সম্ভব, যা আগাম বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষা করতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া কৃষকদের সেচ খরচ কমাতে দেশের সব সেচ পাম্পকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৬২ হাজার পাম্প সৌরবিদ্যুতে চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

কৃষিপণ্যে আমদানি নির্ভরতা শূন্যে নামাতে চায় সরকার: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে কৃষিপণ্যের আমদানি নির্ভরতা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে। গতকাল কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সার পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই, বরং চাহিদার চেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার মজুদের পরিমাণও বেশি। সারের কৃত্রিম সংকটের কথা বলে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তারা মূলত একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এটি করছে। এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রতি মাসে পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যে পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৪ লাখ কৃষকের একটি তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গত ছয় মাসে ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যের বিপরীতে ২৪ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৭৫ দশমিক ৬১ কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে।

পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। আগে সংরক্ষণের অভাবে পেঁয়াজ নষ্ট হলেও বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তা ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে ৩ লাখ টন পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তিনি আরও জানান, পেঁয়াজবীজ, পাটবীজ ও আদার ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা কমাতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে ‘ব্রি ১১৮’ নামের একটি নতুন জাতের ধানের চাষ শুরু হবে। এই জাতটি হাওর অঞ্চলে প্রচলিত সময়ের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই রোপণ করা সম্ভব, যা আগাম বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষা করতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া কৃষকদের সেচ খরচ কমাতে দেশের সব সেচ পাম্পকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৬২ হাজার পাম্প সৌরবিদ্যুতে চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin