৬ হাজার ৪৬৫ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে জামুকা
- আপডেট সময় : ০৬:৪২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬৫ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করার সুপারিশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, ২০১০ সালে জামুকা গঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ৪১৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই তালিকার মধ্যে ১৬ হাজার ৯২২ জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা, ৭৬৮ জন শহীদ, ১৯৮ জন যুদ্ধাহত এবং ৫২৯ জন বীরাঙ্গনা রয়েছেন। এছাড়া বীরাঙ্গনা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য আরও ২২২টি আবেদন বর্তমানে অপেক্ষমাণ রয়েছে।
সংসদীয় কমিটির এই বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। এই উপকমিটির যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটভুক্তির জন্য অপেক্ষমাণ আছে। পাশাপাশি বর্তমানে ভাতা পাচ্ছেন এমন মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে জমা পড়া ২০২টি আবেদনের শুনানিও অপেক্ষমাণ রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
এবারের বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের সামগ্রিক কার্যক্রম কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, আবদুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর অনুরোধে কমিটির সদস্য ও দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫: ২৬আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫: ২৭




























