ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিপজলের বিরুদ্ধে খালাতো ভাইয়ের মানহানির মামলা, তদন্তে ডিবি ভারতের রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের নতুন ও কার্যকর প্রভাব আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ দিন বন্ধ দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ টুথপেস্টে মিলছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক নন্দিপাড়ায় ব্যবসায়ীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আগস্টের মধ্যে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন না এলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি একরামুল হক হত্যায় বদির নিখুঁত পরিকল্পনা ছিল: ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিহার্য: ইউজিসি সদস্য পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিলেন মোদি সাতক্ষীরায় তিন সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

বিকাশ, রকেট ও নগদের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয়, রুল হাইকোর্টের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট ও নগদের লেনদেনের বিপরীতে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সার্ভিস চার্জ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে একটি নির্দিষ্ট ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি কেন বিবেচনা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল দেন।

রিট আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন জানান, ২০২২ সালের বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালার মাধ্যমে বর্তমানে এই সেবাগুলো পরিচালিত হচ্ছে। তার মতে, ব্যাংকগুলো লেনদেনের বিপরীতে নির্দিষ্ট অংকের চার্জ নিলেও বিকাশ, রকেট ও নগদ শতকরা হারে চার্জ কাটছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে লাখ টাকা লেনদেনে সাধারণত ১০ টাকা খরচ হয়, কিন্তু এমএফএস অ্যাপগুলোর মাধ্যমে একই পরিমাণ লেনদেনে প্রতি হাজারে ১০ টাকা হিসেবে মোট এক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হচ্ছে।

আবেদনকারীর দাবি, এমএফএস সেবা মূলত ব্যাংকিং সেবার আওতার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য চালু করা হয়েছিল। অথচ বর্তমানে যে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ করা হচ্ছে, তা ২০২২ সালের প্রবিধানমালার ২ ও ৯ বিধির পরিপন্থী। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি গত ১০ জুলাই রিটটি দায়ের করেন এবং আদালতে শুনানি করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ। রুলের জবাব দেওয়ার জন্য অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিকাশ, রকেট ও নগদের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয়, রুল হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
print news

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট ও নগদের লেনদেনের বিপরীতে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সার্ভিস চার্জ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে একটি নির্দিষ্ট ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি কেন বিবেচনা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল দেন।

রিট আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন জানান, ২০২২ সালের বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালার মাধ্যমে বর্তমানে এই সেবাগুলো পরিচালিত হচ্ছে। তার মতে, ব্যাংকগুলো লেনদেনের বিপরীতে নির্দিষ্ট অংকের চার্জ নিলেও বিকাশ, রকেট ও নগদ শতকরা হারে চার্জ কাটছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে লাখ টাকা লেনদেনে সাধারণত ১০ টাকা খরচ হয়, কিন্তু এমএফএস অ্যাপগুলোর মাধ্যমে একই পরিমাণ লেনদেনে প্রতি হাজারে ১০ টাকা হিসেবে মোট এক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হচ্ছে।

আবেদনকারীর দাবি, এমএফএস সেবা মূলত ব্যাংকিং সেবার আওতার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য চালু করা হয়েছিল। অথচ বর্তমানে যে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ করা হচ্ছে, তা ২০২২ সালের প্রবিধানমালার ২ ও ৯ বিধির পরিপন্থী। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি গত ১০ জুলাই রিটটি দায়ের করেন এবং আদালতে শুনানি করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ। রুলের জবাব দেওয়ার জন্য অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo