ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের শক্তি নিয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত ও জরিপ ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড: রহস্য ও ধোঁয়াশা গুলশানে গোপন বৈঠককালে আটক আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ঈদে মিলাদুন্নবী: যেভাবে মিলবে টানা চার দিনের ছুটি শর্ত না মানলে খুলবে না হরমুজ প্রণালি, জানাল আইআরজিসি ১৭ সেনা নিহতের পর হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনি বাহিনীর পাল্টা অভিযান ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর হামলার জবাবে শিবিরকে প্রতিহত করেছি : নাছির রাজধানীর মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণের হবিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে যুবককে হত্যা

কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী করতে মহাপরিকল্পনা সরকারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জেলাটিকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র এবং বাণিজ্যিক হাব হিসেবে রূপান্তর করা। এই উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধগুলো পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। অর্থমন্ত্রী জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, কক্সবাজার তাতে অন্যতম প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবা খাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এই জেলার অবদান আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে চলমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, রেল যোগাযোগ চালু এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা নির্ধারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের মধ্যে প্রস্তুত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতকে ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করাই এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর মাধ্যমে মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিদ্যমান বিধিনিষেধগুলো পর্যটনবান্ধব করার প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী করতে মহাপরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় : ১১:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
print news

কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জেলাটিকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র এবং বাণিজ্যিক হাব হিসেবে রূপান্তর করা। এই উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধগুলো পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। অর্থমন্ত্রী জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, কক্সবাজার তাতে অন্যতম প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবা খাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এই জেলার অবদান আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে চলমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, রেল যোগাযোগ চালু এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা নির্ধারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের মধ্যে প্রস্তুত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতকে ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করাই এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর মাধ্যমে মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিদ্যমান বিধিনিষেধগুলো পর্যটনবান্ধব করার প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor