ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে অনড় ককরোচ পার্টি, সময় চাইল মোদি সরকার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে কিছুই জানেন না স্পিকার হাফিজ উদ্দিন পশ্চিম তীরে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা নেতানিয়াহুর জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুলত্রুটি হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান মির্জাপুরে পাচারের সময় অর্ধশতাধিক শাল-গজারি গাছ জব্দ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন বাজার আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগে গুগলকে ১০০ কোটি ডলার জরিমানা করল ইইউ ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন পরিবেশ-কর্মী সোনম ওয়াংচুক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছে আন্দোলনকারীরা, রাজপথেও থাকছে বিক্ষোভ এআই নিয়ে ইলন মাস্কের দুই কূটাভাস ও এক স্ববিরোধী আচরণ

খুব শিগগির পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগির পদত্যাগ করছেন বলে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে আর কোনো সংশয় নেই। সরকার ও সরকারি দল বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতির পরবর্তী উত্তরসূরি কে হবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সাধারণত সরকারি দলের বিশ্বস্ত কেউ এই পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছু সময় বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই আন্দোলনকারী ছাত্রনেতারা তার অপসারণের দাবি তুলেছিলেন। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক শূন্যতার আশঙ্কায় তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়নি। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন, তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে পদত্যাগ করতে চান। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে তিনি পুনরায় জানান, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, নতুবা স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াবেন।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত ব্যক্তিই নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির এই পদত্যাগ দেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে এবং সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো বিএনপি নিজেদের মনোনীত কাউকে এই পদে বসানোর সুযোগ পাবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

খুব শিগগির পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

আপডেট সময় : ০১:১৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
print news

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগির পদত্যাগ করছেন বলে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে আর কোনো সংশয় নেই। সরকার ও সরকারি দল বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতির পরবর্তী উত্তরসূরি কে হবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সাধারণত সরকারি দলের বিশ্বস্ত কেউ এই পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছু সময় বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই আন্দোলনকারী ছাত্রনেতারা তার অপসারণের দাবি তুলেছিলেন। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক শূন্যতার আশঙ্কায় তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়নি। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন, তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে পদত্যাগ করতে চান। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে তিনি পুনরায় জানান, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, নতুবা স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াবেন।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত ব্যক্তিই নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির এই পদত্যাগ দেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে এবং সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো বিএনপি নিজেদের মনোনীত কাউকে এই পদে বসানোর সুযোগ পাবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor