ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কৈশোর স্বাস্থ্যসেবায় ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেলের সুপারিশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কিশোর-কিশোরীদের জন্য সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে 'কৈশোর-বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভা' অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ জুলাই আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি ও আইটিএইচসি) এবং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম।

সিরাক-বাংলাদেশের আয়োজনে সভায় সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান জনবলের ঘাটতি মেটাতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) মডেল একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী উদ্যোগ। সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের মাধ্যমে প্রস্তুত এই স্বেচ্ছাসেবকরা কিশোর-কিশোরীদের প্রাথমিক কাউন্সেলিং, তথ্য প্রদান এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রেফারেল সেবা দিয়ে থাকেন। এর ফলে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটির মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সভায় ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এই মডেলটি অত্যন্ত কার্যকর। এখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মডেলটিকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসইভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এর জন্য সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামো, দায়িত্বের পরিধি এবং আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। অনেক কিশোর-কিশোরী সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করে, যেখানে এই প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসান প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কিশোর স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান গ্যাপ এবং ভিপিএল মডেলের কার্যকারিতা তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অ্যাডোলেসেন্ট ফোকাল বডি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভিপিএল মডেলকে সরকারি কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করলে তা তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, স্বেচ্ছাসেবী চেতনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এছাড়া বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও মাদকাসক্তির মতো সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবার ও বিদ্যালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিরাক-বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডাররা উপস্থিত ছিলেন। সভায় গৃহীত সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে যাতে দেশের কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও টেকসই হয়ে ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

কৈশোর স্বাস্থ্যসেবায় ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেলের সুপারিশ

আপডেট সময় : ১২:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

কিশোর-কিশোরীদের জন্য সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে 'কৈশোর-বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভা' অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ জুলাই আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি ও আইটিএইচসি) এবং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম।

সিরাক-বাংলাদেশের আয়োজনে সভায় সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান জনবলের ঘাটতি মেটাতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) মডেল একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী উদ্যোগ। সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের মাধ্যমে প্রস্তুত এই স্বেচ্ছাসেবকরা কিশোর-কিশোরীদের প্রাথমিক কাউন্সেলিং, তথ্য প্রদান এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রেফারেল সেবা দিয়ে থাকেন। এর ফলে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটির মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সভায় ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এই মডেলটি অত্যন্ত কার্যকর। এখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মডেলটিকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসইভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এর জন্য সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামো, দায়িত্বের পরিধি এবং আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। অনেক কিশোর-কিশোরী সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করে, যেখানে এই প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসান প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কিশোর স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান গ্যাপ এবং ভিপিএল মডেলের কার্যকারিতা তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অ্যাডোলেসেন্ট ফোকাল বডি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভিপিএল মডেলকে সরকারি কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করলে তা তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, স্বেচ্ছাসেবী চেতনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এছাড়া বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও মাদকাসক্তির মতো সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবার ও বিদ্যালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিরাক-বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডাররা উপস্থিত ছিলেন। সভায় গৃহীত সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে যাতে দেশের কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও টেকসই হয়ে ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor