ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জ শহরে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান মাধবপুরে বালুবাহী ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ২, আহত ৪ নীলফামারীতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে নিহত-২, আহত-১ লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জ সাব- রেজিষ্ট্রি অফিসে “অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬” অনুষ্ঠিত পশুত্ব নয়, মানবিকতায় হোক পুলিশিংয়ের মূল শক্তি মাসিক অপরাধ সভায় আরপিএমপি পুলিশ কমিশনার ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল আর নেই মৌচাকে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে খুন ঢাকা সূত্রাপুর চোরাই স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ নোয়াখালীতে ৩টি বিদেশি পিস্তল সহ ১ যুবক আটক পরশুরাম আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার

পশুত্ব নয়, মানবিকতায় হোক পুলিশিংয়ের মূল শক্তি মাসিক অপরাধ সভায় আরপিএমপি পুলিশ কমিশনার

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর:
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আজ (১০ জুন) দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় পুলিশ কমিশনারের কনফারেন্স রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন আরপিএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

সভায় পুলিশ কমিশনার জানান মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), থানা, ফাঁড়ি এবং আরপিএমপির সকল ইউনিটকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করতে হবে এবং মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না।

ওয়ারেন্ট তামিল, গ্রেফতার অভিযান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা গ্রহণপূর্বক টিমভিত্তিক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সমন্বিত ও পেশাদার অভিযানের মাধ্যমে ঝুঁকি কমিয়ে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের জনগণের সঙ্গে মানবিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পেশাদার আচরণ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পুলিশি সেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে শিষ্টাচার, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও নিষ্পত্তির নির্দেশনা প্রদান করে তিনি বলেন, এ ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি), সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ও বিজ্ঞ বিচারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনগতভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস বা সমঝোতার সুযোগ নেই এবং এসব মামলা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে।

চুরি ও চোরাই মালামাল কেনাবেচা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, সকল ভাঙারি দোকানে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ভাঙারি ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কোনো ধরনের কার্যক্রম যেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিচালিত হতে না পারে, সে বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ প্রদান করেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, ছাত্রাবাস, মেস এবং আবাসিক এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে আগাম তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, মানুষের মধ্যে পশুত্ব ও মনুষ্যত্ব এই দুই ধরনের প্রবৃত্তি বিদ্যমান। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে পশুত্বপরায়ণতা পরিহার করে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও মনুষ্যত্বের চর্চার মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সঙ্গে আচরণে ধৈর্য, সহনশীলতা ও নৈতিকতার পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আরপিএমপির প্রতিটি ইউনিটে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, কর্মদক্ষতা ও সার্বিক কল্যাণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের ওপর বর্তায়। ইউনিট প্রধানদের নিজ নিজ ইউনিটের সদস্যদের কার্যকরভাবে তদারকি, দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশ কমিশনার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সকল ইউনিটকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) মোঃ হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মাহফুজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব সনাতন চক্রবর্তী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মারুফ আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আবদুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনারগণসহ প্রতিটি থানার অফিসার্স ইনচার্জ এবং বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাগণ।

উল্লেখ্য, মে-২০২৬ মাসে আরপিএমপিতে মোট ১৪৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলা ৯১টি, অস্ত্র আইনে ১টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫টি, ধর্ষণ ২টি, চুরি ১২টি এবং অন্যান্য ৩৫টি মামলা হয়েছে। এছাড়া, মাদকবিরোধী অভিযানে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ৭.৯৪৫ কেজি গাঁজা, ১,২৪৯ পিস ইয়াবা, ৩.২ গ্রাম হেরোইন, ৩০ পিস ট্যাপেন্ডল, ৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৩০.৭৫০ লিটার চোলাই মদ এবং ২৫ পিস অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার ৫২৫ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পশুত্ব নয়, মানবিকতায় হোক পুলিশিংয়ের মূল শক্তি মাসিক অপরাধ সভায় আরপিএমপি পুলিশ কমিশনার

আপডেট সময় : ১০:৪৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আজ (১০ জুন) দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় পুলিশ কমিশনারের কনফারেন্স রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন আরপিএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

সভায় পুলিশ কমিশনার জানান মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), থানা, ফাঁড়ি এবং আরপিএমপির সকল ইউনিটকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করতে হবে এবং মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না।

ওয়ারেন্ট তামিল, গ্রেফতার অভিযান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা গ্রহণপূর্বক টিমভিত্তিক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সমন্বিত ও পেশাদার অভিযানের মাধ্যমে ঝুঁকি কমিয়ে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের জনগণের সঙ্গে মানবিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পেশাদার আচরণ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পুলিশি সেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে শিষ্টাচার, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও নিষ্পত্তির নির্দেশনা প্রদান করে তিনি বলেন, এ ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি), সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ও বিজ্ঞ বিচারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনগতভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস বা সমঝোতার সুযোগ নেই এবং এসব মামলা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে।

চুরি ও চোরাই মালামাল কেনাবেচা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, সকল ভাঙারি দোকানে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ভাঙারি ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কোনো ধরনের কার্যক্রম যেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিচালিত হতে না পারে, সে বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ প্রদান করেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, ছাত্রাবাস, মেস এবং আবাসিক এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে আগাম তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, মানুষের মধ্যে পশুত্ব ও মনুষ্যত্ব এই দুই ধরনের প্রবৃত্তি বিদ্যমান। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে পশুত্বপরায়ণতা পরিহার করে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও মনুষ্যত্বের চর্চার মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সঙ্গে আচরণে ধৈর্য, সহনশীলতা ও নৈতিকতার পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আরপিএমপির প্রতিটি ইউনিটে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, কর্মদক্ষতা ও সার্বিক কল্যাণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের ওপর বর্তায়। ইউনিট প্রধানদের নিজ নিজ ইউনিটের সদস্যদের কার্যকরভাবে তদারকি, দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশ কমিশনার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সকল ইউনিটকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) মোঃ হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মাহফুজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব সনাতন চক্রবর্তী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মারুফ আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আবদুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনারগণসহ প্রতিটি থানার অফিসার্স ইনচার্জ এবং বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাগণ।

উল্লেখ্য, মে-২০২৬ মাসে আরপিএমপিতে মোট ১৪৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলা ৯১টি, অস্ত্র আইনে ১টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫টি, ধর্ষণ ২টি, চুরি ১২টি এবং অন্যান্য ৩৫টি মামলা হয়েছে। এছাড়া, মাদকবিরোধী অভিযানে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ৭.৯৪৫ কেজি গাঁজা, ১,২৪৯ পিস ইয়াবা, ৩.২ গ্রাম হেরোইন, ৩০ পিস ট্যাপেন্ডল, ৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৩০.৭৫০ লিটার চোলাই মদ এবং ২৫ পিস অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার ৫২৫ টাকা।